থানাকা ফেস প্যাক দাম কত
থানাকা ফেস প্যাক দাম কত? থানাকা ফেসপ্যাক ব্যবহারের নিয়ম। থানাকা ফেস প্যাক আসল
নকল চেনার উপায় সমূহ। খানাকা ফেসপ্যাক এর উপকারিতা কি কি। থানাকা ফেসপ্যাকের কাজ
কি ও এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ইত্যাদি সম্পর্কে আমরা এই পোস্টের মাধ্যমে বিস্তারিত
আলোচনা করতে চলেছি।
খানাকা ফেসপ্যাক ব্যবহার করা হয় মূলত আমাদের ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির জন্য,
মুখের দাগ দূর করার জন্য, বূরণের মতন সমস্যা দূর করার জন্য ইত্যাদি। এই প্যাকটি
আমাদের ত্বকের জন্য উপকার। চলন তাহলে থানাকা ফেসপ্যাকের দাম সম্পর্কে বিস্তারিত
আলোচনা করা যাক।
কারও কারও ত্বকে চুলকানি, লালচে ভাব বা হালকা ফুসকুড়ি দেখা দিতে পারে। নকল বা কেমিক্যাল মেশানো থানাকা ব্যবহার করলে জ্বালা হতে পারে। খুব ঘন করে লাগালে বা শক্তভাবে ঘষলে ত্বক রুক্ষ হয়ে যেতে পারে। থানাকা চোখে গেলে তীব্র জ্বালা হতে পারে, তাই চোখের চারপাশে সতর্ক থাকতে হয়। খুব সেনসিটিভ স্কিনে লাল দাগ বা র্যাশ দেখা দিতে পারে। খুব বেশি সময় মুখে রেখে দিলে ত্বক টানটান ও অস্বস্তিকর লাগতে পারে। নকল বা মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্যে ত্বকের ক্ষতির সম্ভাবনা বেশি থাকে।
আরও কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও সতর্কতার দিক যোগ করছি, যাতে বিষয়টা পরিষ্কার থাকে। শুরুর দিকে কিছু মানুষের ত্বকে হালকা ব্রণ উঠতে পারে। সাধারণত ত্বক মানিয়ে নিলে কমে যায়। বেশি ব্যবহার করলে স্কিনের ন্যাচারাল অয়েল নষ্ট হতে পারে, ফলে শুষ্কতা বাড়ে। খুব শুষ্ক ত্বকে কখনও কখনও হালকা খোসা ওঠা দেখা যায়। একসাথে কেমিক্যাল ফেসওয়াশ, স্ক্রাব বা শক্ত সিরামের সাথে ব্যবহার করলে জ্বালা বাড়তে পারে।
মুখে কাটা, ক্ষত বা ইনফেকশন থাকলে থানাকা লাগালে জ্বালা বা ব্যথা হতে পারে। খুব ছোট শিশুদের ত্বকে ব্যবহার না করাই ভালো। একই রুটিনে দীর্ঘ সময় ব্যবহার করলে ত্বক অভ্যস্ত হয়ে যেতে পারে। এক্সপায়ারি পণ্য ব্যবহারে অ্যালার্জি বা ইনফেকশন হওয়ার ঝুঁকি থাকে।লাগানোর পর ভালোভাবে ধুয়ে না নিলে রোদে ত্বক আরও সংবেদনশীল লাগতে পারে।
একদম পাতলা বা খুব শক্ত করবেন না। আঙুল বা ব্রাশ দিয়ে সমানভাবে মুখে লাগান। চোখ ও ঠোঁটের চারপাশ এড়িয়ে চলুন। ১০ থেকে ১৫ মিনিট রাখলেই যথেষ্ট। একেবারে শুকিয়ে যাওয়ার আগেই ধুয়ে ফেললে ভালো। হালকা কুসুম গরম বা স্বাভাবিক পানি দিয়ে আলতোভাবে ধুয়ে নিন। ঘষাঘষি করবেন না।ধোয়ার পর হালকা ময়েশ্চারাইজার লাগালে ত্বক শুষ্ক হবে না। সপ্তাহে ২ থেকে ৩ বার ব্যবহার করাই যথেষ্ট। প্রতিদিন লাগানো ঠিক নয়।
পেস্ট লাগানোর সময় মুখে হালকা আঙুল দিয়ে মাসাজ করলে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে এবং পোরস খোলা থাকে। এই জায়গাগুলোতে তেল জমা বেশি হয়। থানাকা পেস্ট একটু বেশি ঘনভাবে লাগাতে পারেন।চোখের সংবেদনশীল ত্বক রক্ষা করতে সেই অংশে পেস্ট লাগাবেন না। যদি পেস্ট খুব দ্রুত শুকিয়ে যায়, হালকা পানি স্প্রে করলে ত্বক খসখসে হয় না।
শুকনো পেস্ট আঁচড় দিলে ত্বক লালচে বা জ্বালা হতে পারে। ত্বক আরও সতেজ ও শীতল অনুভূত হয়। পেস্ট লাগানোর পর কিছুটা রোদে থাকা ত্বক সংবেদনশীল হতে পারে। প্রসেস করা বা রেডি-মেড প্যাকের তুলনায় তাজা থানাকা বেশি কার্যকর। ত্বক লালচে, চুলকানি বা ফুসকুড়ি হলে ব্যবহার বন্ধ করুন।
ফলে মুখ শুষ্ক ও রুক্ষ হয়ে যায়। অতি ব্যবহার সংবেদনশীল বা শুষ্ক ত্বকে সমস্যা বাড়াতে পারে। অতিরিক্ত ব্যবহারে ত্বক অভ্যস্ত হয়ে যায়, ফলে পেস্টের উপকারিতার স্বাভাবিক প্রভাব কমে যেতে পারে। এজন্য আমাদের এই প্যাকটি নিয়মিত ব্যবহার করার আগে সর্তকতা অবলম্বন করতে হবে। প্রয়োজনে একজন অভিজ্ঞ মানুষের পরামর্শ নিন।
হালকা ফেসওয়াশ বা পানি দিয়ে মুখ ভালোভাবে ধুয়ে নিন। মেকআপ বা ধুলো-ময়লা থাকলে পেস্ট ঠিকভাবে কাজ করবে না। যদি রেডি-মেড প্যাক হয়, সরাসরি লাগাতে পারেন। আর যদি পাউডার ফর্ম, তাহলে অল্প পানি বা গোলাপ জল দিয়ে ঘন পেস্ট বানান। আঙুল বা ব্রাশ দিয়ে মুখে পেস্ট লাগান। চোখ, ঠোঁট ও চোখের চারপাশ এড়িয়ে চলুন। ১০–১৫ মিনিট রাখলেই যথেষ্ট।
যদি ত্বক খুব সংবেদনশীল হয়, ৫–১০ মিনিট দিয়েও শুরু করা যায়। মুখে হালকা আঙুল দিয়ে বৃত্তাকার ঘষা দিলে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে এবং পোরস পরিষ্কার হয়। গরম বা স্বাভাবিক পানি দিয়ে হালকা আলতোভাবে ধুয়ে ফেলুন। স্ক্র্যাচ বা শক্ত ঘষা করবেন না। ধোয়ার পর হালকা ময়েশ্চারাইজার লাগালে ত্বক শুষ্ক হয় না। সপ্তাহে ২–৩ বার ব্যবহার করাই যথেষ্ট। সংবেদনশীল বা শুষ্ক ত্বকে সপ্তাহে ১–২ বার।
থানাকা ফেস প্যাক দাম
থানাকা ফেস প্যাক দাম কত? এ সম্পর্কে আমাদের ভেতর অনেকেই জানতে আগ্রহী। কেননা
অনেকেই থানাকা ফেসপ্যাক কিনতে চাই। আপনি বাংলাদেশের বাজারে বিভিন্ন দামে এই
ফেসপ্যাক পেয়ে যাবেন। তবে এই থানাকা ফেস প্যাকের দাম সাধারণত সাইজ ও মান উপর
নির্ভর করে। বাজারে ছোট সাইজের থানাকা ফেস প্যাক প্রায় ৩০০ থেকে ৫০০ টাকার
মধ্যে পাওয়া যায়।
আরো পড়ুনঃ সাফি সিরাপ এর উপকারিতা-সাফি সিরাপ খেলে কি ওজন কমে?
মাঝারি সাইজের প্যাকের দাম সাধারণত ৪৫০ থেকে ৬৫০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। বড় সাইজ বা প্রিমিয়াম মানের থানাকা ফেস প্যাকের দাম ৬০০ টাকার বেশি হতে দেখা যায়। ব্র্যান্ড, উপাদান এবং বিক্রেতার উপর ভিত্তি করে এই দামে কিছুটা কমবেশি হতে পারে।
আরো পড়ুনঃ মোনাস ১০ এর কাজ কি
গন্ধ ও রং মাধ্যমে ফেসপ্যাক আসলে কি নকল তা চেনা যাই। আসল থানাকার গন্ধ খুব হালকা ও প্রাকৃতিক হয়। কৃত্রিম সুগন্ধি থাকলে সন্দেহ করবেন। রং সাধারণত হালকা হলুদ বা মাটি রঙের হয়। খুব সাদা বা বেশি উজ্জ্বল হলে নকল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
টেক্সচার পরীক্ষার মাধ্যমে আসল ফেসপ্যাক চেনা যায়। আসল থানাকা ফেস প্যাক একটু খসখসে বা দানাদার অনুভূত হয়। একদম ক্রিমের মতো মসৃণ হলে বুঝবেন এতে কেমিক্যাল মেশানো থাকতে পারে।
পানির সাথে মিশিয়ে আসল ফেসপ্যাক চেনার একটি ভালো উপায়। আসল থানাকা পানির সাথে মিশালে ধীরে ধীরে ঘন পেস্ট হয়। খুব দ্রুত গলে গেলে বা ফেনা উঠলে সেটি ভালো লক্ষণ নয়।
প্যাকেটের তথ্য যাচাই করার মাধ্যমে । আসল পণ্যে স্পষ্টভাবে উপাদান, উৎপাদনকারী দেশ, ব্যাচ নম্বর ও মেয়াদ লেখা থাকে। বানান ভুল বা অস্পষ্ট লেখা থাকলে সাবধান হবেন।
দাম অস্বাভাবিক কম কি না দেখা। থানাকা খুব সস্তায় বিক্রি হলে সেটি সাধারণত নকল বা মিশ্রিত হয়। আসল থানাকার দাম বাজারে মোটামুটি স্থির থাকে।
ব্যবহারের পর ত্বকের প্রতিক্রিয়া কেমন তা দেখা। আসল থানাকা ব্যবহারে ঠান্ডা অনুভূতি দেয় এবং ত্বকে আরাম লাগে। জ্বালা, চুলকানি বা লালচে ভাব হলে ব্যবহার বন্ধ করুন।
প্রয়োজনে কোন বিশ্বস্ত দোকান থেকে ফেসপ্যাক কিনুন।পরিচিত দোকান, ফার্মেসি বা নির্ভরযোগ্য অনলাইন শপ থেকে কিনলে নকল পাওয়ার ঝুঁকি কমে।
থানাকার প্রাকৃতিক অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ ব্রণ সৃষ্টিকারী জীবাণু কমাতে সহায়তা করে। গরমে বা রোদে পোড়া ত্বকে থানাকা ব্যবহার করলে শীতল অনুভূতি পাওয়া যায়। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য থানাকা খুব উপকারী। এটি মুখের অতিরিক্ত তেল শোষণ করে নেয়। নিয়মিত ব্যবহার করলে ব্রণের দাগ, রোদে পোড়া দাগ ধীরে ধীরে হালকা হতে পারে।
আরো পড়ুনঃমাথা ব্যথা কমানোর ১০টি ঔষধের নাম-দোয়া ও ঘরোয়া উপায় কি?
থানাকা ত্বকের মৃত কোষ পরিষ্কার করতে সাহায্য করে, ফলে মুখ স্বাভাবিকভাবে উজ্জ্বল দেখায়। এতে প্রাকৃতিক সান-প্রোটেক্টিভ গুণ আছে, যা ত্বককে সূর্যের ক্ষতি থেকে কিছুটা রক্ষা করে। কেমিক্যাল কম থাকায় অনেক সংবেদনশীল ত্বকেও থানাকা মানিয়ে যায়। নিয়মিত ব্যবহারের আগে অল্প জায়গায় টেস্ট করে নেওয়া ভালো।
আরো পড়ুনঃ সাফি সিরাপ এর উপকারিতা-সাফি সিরাপ খেলে কি ওজন কমে?
মাঝারি সাইজের প্যাকের দাম সাধারণত ৪৫০ থেকে ৬৫০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। বড় সাইজ বা প্রিমিয়াম মানের থানাকা ফেস প্যাকের দাম ৬০০ টাকার বেশি হতে দেখা যায়। ব্র্যান্ড, উপাদান এবং বিক্রেতার উপর ভিত্তি করে এই দামে কিছুটা কমবেশি হতে পারে।
থানাকা ফেস প্যাক আসল নকল চেনার উপায়
থানাকা ফেস প্যাক আসল নকল চেনার উপায় সম্পর্কে জানা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কেননা বাজারে আমরা অনেক সময় থানা কা ফেসপ্যাক কেনার সময় প্রতারণা শিকার হতে পারি। অনেক সময় কিছু অসৎ ব্যবসায়ীরা আসল প্রোডাক্টের নামে নকল পণ্য দিয়ে দেয়। এর ফলে আমাদের ত্বকের উপকারের পরিবর্তন অপকারিতা হয়। এজন্য আমাদের থানাকা আসল ফেসপ্যাক চেনা খুবই জরুরী। চলুন তাহলে ফেসপ্যাক আসল কিনা কর। চেনার উপায় সম্পর্কে জেনে আসা যাক ।আরো পড়ুনঃ মোনাস ১০ এর কাজ কি
গন্ধ ও রং মাধ্যমে ফেসপ্যাক আসলে কি নকল তা চেনা যাই। আসল থানাকার গন্ধ খুব হালকা ও প্রাকৃতিক হয়। কৃত্রিম সুগন্ধি থাকলে সন্দেহ করবেন। রং সাধারণত হালকা হলুদ বা মাটি রঙের হয়। খুব সাদা বা বেশি উজ্জ্বল হলে নকল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
টেক্সচার পরীক্ষার মাধ্যমে আসল ফেসপ্যাক চেনা যায়। আসল থানাকা ফেস প্যাক একটু খসখসে বা দানাদার অনুভূত হয়। একদম ক্রিমের মতো মসৃণ হলে বুঝবেন এতে কেমিক্যাল মেশানো থাকতে পারে।
পানির সাথে মিশিয়ে আসল ফেসপ্যাক চেনার একটি ভালো উপায়। আসল থানাকা পানির সাথে মিশালে ধীরে ধীরে ঘন পেস্ট হয়। খুব দ্রুত গলে গেলে বা ফেনা উঠলে সেটি ভালো লক্ষণ নয়।
প্যাকেটের তথ্য যাচাই করার মাধ্যমে । আসল পণ্যে স্পষ্টভাবে উপাদান, উৎপাদনকারী দেশ, ব্যাচ নম্বর ও মেয়াদ লেখা থাকে। বানান ভুল বা অস্পষ্ট লেখা থাকলে সাবধান হবেন।
দাম অস্বাভাবিক কম কি না দেখা। থানাকা খুব সস্তায় বিক্রি হলে সেটি সাধারণত নকল বা মিশ্রিত হয়। আসল থানাকার দাম বাজারে মোটামুটি স্থির থাকে।
ব্যবহারের পর ত্বকের প্রতিক্রিয়া কেমন তা দেখা। আসল থানাকা ব্যবহারে ঠান্ডা অনুভূতি দেয় এবং ত্বকে আরাম লাগে। জ্বালা, চুলকানি বা লালচে ভাব হলে ব্যবহার বন্ধ করুন।
প্রয়োজনে কোন বিশ্বস্ত দোকান থেকে ফেসপ্যাক কিনুন।পরিচিত দোকান, ফার্মেসি বা নির্ভরযোগ্য অনলাইন শপ থেকে কিনলে নকল পাওয়ার ঝুঁকি কমে।
থানাকা ফেস প্যাক এর কাজ কি
উপরে আমরা থানাকা ফেস প্যাক দাম সম্পর্কে জানলাম এবার আমরা থানাস ফেসপ্যাক এর কাজ কি এই সম্পর্কে জানব। থানাস ফেসপ্যাক আমাদের মুখের বিভিন্ন উপকার সাধন করে। এই ফেসপ্যাক মূলত একটি আমাদের মুখের যত্নের একটি প্যাক। থানাকা ফেসপ্যাক এর কিছু কাজ নিচে দেওয়া হলোঃথানাকার প্রাকৃতিক অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ ব্রণ সৃষ্টিকারী জীবাণু কমাতে সহায়তা করে। গরমে বা রোদে পোড়া ত্বকে থানাকা ব্যবহার করলে শীতল অনুভূতি পাওয়া যায়। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য থানাকা খুব উপকারী। এটি মুখের অতিরিক্ত তেল শোষণ করে নেয়। নিয়মিত ব্যবহার করলে ব্রণের দাগ, রোদে পোড়া দাগ ধীরে ধীরে হালকা হতে পারে।
আরো পড়ুনঃমাথা ব্যথা কমানোর ১০টি ঔষধের নাম-দোয়া ও ঘরোয়া উপায় কি?
থানাকা ত্বকের মৃত কোষ পরিষ্কার করতে সাহায্য করে, ফলে মুখ স্বাভাবিকভাবে উজ্জ্বল দেখায়। এতে প্রাকৃতিক সান-প্রোটেক্টিভ গুণ আছে, যা ত্বককে সূর্যের ক্ষতি থেকে কিছুটা রক্ষা করে। কেমিক্যাল কম থাকায় অনেক সংবেদনশীল ত্বকেও থানাকা মানিয়ে যায়। নিয়মিত ব্যবহারের আগে অল্প জায়গায় টেস্ট করে নেওয়া ভালো।
চাইলে আমি ব্যবহারের নিয়ম বা কোন ত্বকের জন্য কীভাবে ব্যবহার করবেন সেটাও লিখে
দিতে পারি। থানাকা ফেস প্যাক লোমকূপের ভেতরের ময়লা ও তেল বের করতে সাহায্য করে।
এতে ব্ল্যাকহেড ও হোয়াইটহেড কমে। নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বক নরম ও মসৃণ অনুভূত
হয়, শুষ্কভাব ধীরে ধীরে কমে। গরমে হওয়া ঘামাচি বা ছোট দানার মতো ফুসকুড়িতে
থানাকা আরাম দেয়।মুখ পরিষ্কার ও তেলমুক্ত থাকায় হালকা মেকআপ বসতে সাহায্য
করে।
ত্বক পরিষ্কার ও স্বাস্থ্যকর থাকলে ফাইন লাইন বা নিস্তেজ ভাব ধীরে দেখা দেয়। কেমিক্যাল ফেস প্যাকের তুলনায় নিয়মিত ব্যবহারে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কম। মুখের কালচে অংশ ও অসম রঙ ধীরে ধীরে ব্যালেন্স করতে সহায়তা করে। থানাকার প্রাকৃতিক গন্ধ ও ঠান্ডা ভাব মুখে ব্যবহার করলে আরাম লাগে, স্ট্রেসও কিছুটা কমে।
ত্বক পরিষ্কার ও স্বাস্থ্যকর থাকলে ফাইন লাইন বা নিস্তেজ ভাব ধীরে দেখা দেয়। কেমিক্যাল ফেস প্যাকের তুলনায় নিয়মিত ব্যবহারে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কম। মুখের কালচে অংশ ও অসম রঙ ধীরে ধীরে ব্যালেন্স করতে সহায়তা করে। থানাকার প্রাকৃতিক গন্ধ ও ঠান্ডা ভাব মুখে ব্যবহার করলে আরাম লাগে, স্ট্রেসও কিছুটা কমে।
থানাকা ফেস প্যাক এর উপকারিতা
আমাদের মুখের জন্য থানাকা ফেসপ্যাক উপকারিতা অনেক। এই ফেসপ্যাক আমাদের মুখের বিভিন্ন সমস্যাকে দূর করে। তবে আমাদের থানা কা ফেসপ্যাক আসল নকল চেনার উপায় সম্পর্কে জেনে ব্যবহার করা উচিত। না হলে উপকারের পরিবর্তে অপকারিতা হবে। থানাকা ফেসপ্যাকের উপকারিতা গুলো দেওয়া হলোঃ- ব্রণ ও ফুসকুড়ি কমাতে সাহায্য করে।
- ত্বককে ঠান্ডা রাখে।
- আমাদের মুখের অতিরিক্ত তেল নিয়ন্ত্রণ করে।
- মুখের দাগ ও ছোপ হালকা করে।
- ত্বককে উজ্জ্বল ও সতেজ করে।
- মুখের লোমকূপ পরিষ্কার করে।
- ত্বককে নরম ও মসৃণ রাখে।
- রোদের ক্ষতিকার রশ্মি থেকে আমাদের ত্বককে রক্ষা করে।
- এই ফেসপ্যাকটি আমাদের সংবেদনশীল ত্বকের জন্য তুলনামূলক নিরাপদ।
থানাকা ফেস প্যাক এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
থানাকা ফেসপ্যাক দাম কত জেনেছি এর উপকারিতা সম্পর্কে জেনেছি এবার আমরা এর কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া জানবো। থানাকা ফেসপ্যাক আমাদের মুখের জন্য উপকারী হলেও এর ভুলভাবে ব্যবহার ও ভুল নিয়মে ব্যবহার করলে বা অতিরিক্ত ব্যবহার করলে অপকারিতা দেখা যেতে পারে। যেমন যারা বারবার বা বেশি সময় ধরে ব্যবহার করলে মুখ অতিরিক্ত শুষ্ক লাগতে পারে, বিশেষ করে শুষ্ক ত্বকে।কারও কারও ত্বকে চুলকানি, লালচে ভাব বা হালকা ফুসকুড়ি দেখা দিতে পারে। নকল বা কেমিক্যাল মেশানো থানাকা ব্যবহার করলে জ্বালা হতে পারে। খুব ঘন করে লাগালে বা শক্তভাবে ঘষলে ত্বক রুক্ষ হয়ে যেতে পারে। থানাকা চোখে গেলে তীব্র জ্বালা হতে পারে, তাই চোখের চারপাশে সতর্ক থাকতে হয়। খুব সেনসিটিভ স্কিনে লাল দাগ বা র্যাশ দেখা দিতে পারে। খুব বেশি সময় মুখে রেখে দিলে ত্বক টানটান ও অস্বস্তিকর লাগতে পারে। নকল বা মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্যে ত্বকের ক্ষতির সম্ভাবনা বেশি থাকে।
আরও কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও সতর্কতার দিক যোগ করছি, যাতে বিষয়টা পরিষ্কার থাকে। শুরুর দিকে কিছু মানুষের ত্বকে হালকা ব্রণ উঠতে পারে। সাধারণত ত্বক মানিয়ে নিলে কমে যায়। বেশি ব্যবহার করলে স্কিনের ন্যাচারাল অয়েল নষ্ট হতে পারে, ফলে শুষ্কতা বাড়ে। খুব শুষ্ক ত্বকে কখনও কখনও হালকা খোসা ওঠা দেখা যায়। একসাথে কেমিক্যাল ফেসওয়াশ, স্ক্রাব বা শক্ত সিরামের সাথে ব্যবহার করলে জ্বালা বাড়তে পারে।
মুখে কাটা, ক্ষত বা ইনফেকশন থাকলে থানাকা লাগালে জ্বালা বা ব্যথা হতে পারে। খুব ছোট শিশুদের ত্বকে ব্যবহার না করাই ভালো। একই রুটিনে দীর্ঘ সময় ব্যবহার করলে ত্বক অভ্যস্ত হয়ে যেতে পারে। এক্সপায়ারি পণ্য ব্যবহারে অ্যালার্জি বা ইনফেকশন হওয়ার ঝুঁকি থাকে।লাগানোর পর ভালোভাবে ধুয়ে না নিলে রোদে ত্বক আরও সংবেদনশীল লাগতে পারে।
থানাকা ফেস প্যাক ব্যবহারের নিয়ম
থানাকা ফেসপ্যাক থেকে ভালো উপকারিতা পেতে অবশ্য সঠিক নিয়মে এই ফেসপ্যাকটি আমাদের মুখে ব্যবহার করতে হবে। তা না হলে ভালো উপকারিতা পাওয়া যায় না। তাহলে চলুন থানাকা ফেসপ্যাক এর ব্যবহার এর নিয়ম সম্পর্কে জেনে আসি। হালকা ফেসওয়াশ বা শুধু পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। মুখে ময়লা বা মেকআপ থাকা যাবে না। থানাকা পাউডারের সাথে অল্প পরিষ্কার পানি, গোলাপ জল বা দুধ মিশিয়ে ঘন পেস্ট বানান।একদম পাতলা বা খুব শক্ত করবেন না। আঙুল বা ব্রাশ দিয়ে সমানভাবে মুখে লাগান। চোখ ও ঠোঁটের চারপাশ এড়িয়ে চলুন। ১০ থেকে ১৫ মিনিট রাখলেই যথেষ্ট। একেবারে শুকিয়ে যাওয়ার আগেই ধুয়ে ফেললে ভালো। হালকা কুসুম গরম বা স্বাভাবিক পানি দিয়ে আলতোভাবে ধুয়ে নিন। ঘষাঘষি করবেন না।ধোয়ার পর হালকা ময়েশ্চারাইজার লাগালে ত্বক শুষ্ক হবে না। সপ্তাহে ২ থেকে ৩ বার ব্যবহার করাই যথেষ্ট। প্রতিদিন লাগানো ঠিক নয়।
পেস্ট লাগানোর সময় মুখে হালকা আঙুল দিয়ে মাসাজ করলে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে এবং পোরস খোলা থাকে। এই জায়গাগুলোতে তেল জমা বেশি হয়। থানাকা পেস্ট একটু বেশি ঘনভাবে লাগাতে পারেন।চোখের সংবেদনশীল ত্বক রক্ষা করতে সেই অংশে পেস্ট লাগাবেন না। যদি পেস্ট খুব দ্রুত শুকিয়ে যায়, হালকা পানি স্প্রে করলে ত্বক খসখসে হয় না।
শুকনো পেস্ট আঁচড় দিলে ত্বক লালচে বা জ্বালা হতে পারে। ত্বক আরও সতেজ ও শীতল অনুভূত হয়। পেস্ট লাগানোর পর কিছুটা রোদে থাকা ত্বক সংবেদনশীল হতে পারে। প্রসেস করা বা রেডি-মেড প্যাকের তুলনায় তাজা থানাকা বেশি কার্যকর। ত্বক লালচে, চুলকানি বা ফুসকুড়ি হলে ব্যবহার বন্ধ করুন।
থানাকা ফেস প্যাক কি প্রতিদিন ব্যবহার করা যায়
না, থানাকা ফেসপ্যাক সাধারণত প্রতিদিন ব্যবহার করা যায় না। আপনি যদি থানা কা ফেসপ্যাক প্রতিদিন ব্যবহার করেন তাহলে আপনার মুখে বিভিন্ন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে। এই ফেসপ্যাক সাধারণত সপ্তাহে দুই থেকে তিন বার ব্যবহার করা জন্য। থানাকা প্যাক প্রতিদিন ব্যবহার করলে আমাদের ত্বকের প্রাকৃতিক তেল শোষণ করে ফেলতে পারেফলে মুখ শুষ্ক ও রুক্ষ হয়ে যায়। অতি ব্যবহার সংবেদনশীল বা শুষ্ক ত্বকে সমস্যা বাড়াতে পারে। অতিরিক্ত ব্যবহারে ত্বক অভ্যস্ত হয়ে যায়, ফলে পেস্টের উপকারিতার স্বাভাবিক প্রভাব কমে যেতে পারে। এজন্য আমাদের এই প্যাকটি নিয়মিত ব্যবহার করার আগে সর্তকতা অবলম্বন করতে হবে। প্রয়োজনে একজন অভিজ্ঞ মানুষের পরামর্শ নিন।
থানাকা গোল্ড প্যাক ব্যবহারের নিয়ম
থানাকা ফেসপ্যাক দাম সম্পর্কে জেনেছি। থানাকা গোল্ড প্যাক সঠিকভাবে ব্যবহারের কিছু নিয়ম আছে। থানাকা গোল্ড ফেস প্যাক সাধারণ থানাকার মতোই ব্যবহার হয়, তবে এর কিছু উপকরণের ভিন্নতার কারণে এর ব্যবহারের নিয়ম কিছুটা আলাদা। নিচে থানাকা গোল্ড প্যাক ব্যবহারের নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলোঃহালকা ফেসওয়াশ বা পানি দিয়ে মুখ ভালোভাবে ধুয়ে নিন। মেকআপ বা ধুলো-ময়লা থাকলে পেস্ট ঠিকভাবে কাজ করবে না। যদি রেডি-মেড প্যাক হয়, সরাসরি লাগাতে পারেন। আর যদি পাউডার ফর্ম, তাহলে অল্প পানি বা গোলাপ জল দিয়ে ঘন পেস্ট বানান। আঙুল বা ব্রাশ দিয়ে মুখে পেস্ট লাগান। চোখ, ঠোঁট ও চোখের চারপাশ এড়িয়ে চলুন। ১০–১৫ মিনিট রাখলেই যথেষ্ট।
যদি ত্বক খুব সংবেদনশীল হয়, ৫–১০ মিনিট দিয়েও শুরু করা যায়। মুখে হালকা আঙুল দিয়ে বৃত্তাকার ঘষা দিলে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে এবং পোরস পরিষ্কার হয়। গরম বা স্বাভাবিক পানি দিয়ে হালকা আলতোভাবে ধুয়ে ফেলুন। স্ক্র্যাচ বা শক্ত ঘষা করবেন না। ধোয়ার পর হালকা ময়েশ্চারাইজার লাগালে ত্বক শুষ্ক হয় না। সপ্তাহে ২–৩ বার ব্যবহার করাই যথেষ্ট। সংবেদনশীল বা শুষ্ক ত্বকে সপ্তাহে ১–২ বার।
ব্যবহারের সতর্কতা ও সাবধানতা
- চোখে লাগলে অবিলম্বে ধুয়ে ফেলুন
- প্রথমবার ব্যবহারের আগে ছোট জায়গায় প্যাচ টেস্ট করুন
- রোদে বের হওয়ার আগে ব্যবহার না করা ভালো
সাধারণ প্রশ্ন সমূহ(FAQ)
থানাকা ফেস প্যাক কত টাকা?
বাংলাদেশের বাজারে খানাকা ফেসপ্যাকের ১৪০ গ্রামের দাম মাত্র ৭৫০ টাকা।থানাকা কি মুখের জন্য ভালো?
হ্যাঁ, থানা কা ফেসপ্যাক আমাদের মুখের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী।থানকা কি কালো দাগ দূর করতে পারে?
হ্যাঁ, থানাকা ফেসপ্যাক আমাদের মুখের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াকে মেরে মুখের কালো দাগ দূর করতে সাহায্য করে।থানকা কি ব্রণের জন্য সাহায্য করতে পারে?
থানা কা ফেসপ্যাক আমাদের মুখের ব্রণ দূর করতে খুবই ভালো কার্যকরী।থানকা কি সান ট্যান দূর করে?
হ্যাঁ, থানাকা আমাদের ত্বককে ক্ষতিকর সূর্যের আলো থেকে রক্ষা করে।থানাকা ফেস প্যাক ব্যবহার করলে মুখ জ্বলে কেন?
যদি আপনার ত্বক থানাকার যে কোন উপাদানের প্রতি অতি সংবেদনশীলতা থাকে তাহলে থানাকা ফেসপ্যাক মুখে দিলে মুখ জ্বলতে পারে।উপসংহারঃ থানাকা ফেস প্যাক দাম- থানাকা ফেস প্যাক আসল নকল চেনার উপায়
উপরে আমরা থানাকা ফেস প্যাক দাম বাংলাদেশ। থানাকা ফেস প্যাক আসল নকল চেনার
উপায়। থানাকা ফেসপ্যাক ব্যবহারের নিয়ম। খানাকা ফেসপ্যাক এর উপকারিতা। থানাকা
ফেসপ্যাকের কাজ কি ও এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।
যার মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারি থানা কা ফেসপ্যাক আমাদের ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য
কতটা উপকারী।
এই প্যাকটি নিয়মিত ব্যবহার করলে আমাদের ত্বক উজ্জ্বল হয় ও ত্বকের কালো দাগ
দূর হয়। মুখের ব্রণ অনেকটা কমে যায় ইত্যাদি উপকার পাওয়া যায়। তবে অবশ্যই
থানাকা ফেসপ্যাকটি ব্যবহারের আগে আমাদের ত্বকের ধরন সম্পর্কে বলা উচিত। আশা করি
এই পোস্টের মাধ্যমে আপনারা উপকৃত হয়েছেন।

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url