অতিরিক্ত কাশি হলে কি ওষুধ খাব ? বাচ্চাদের সর্দি কাশির সিরাপ স্কয়ার



অতিরিক্ত কাশি হলে কি ওষুধ খাব ? বাচ্চাদের সর্দি কাশির সিরাপ স্কয়ার, বাচ্চাদের সর্দি কাশির এন্টিবায়োটিক ওষুধের নাম ও বিভিন্ন বয়সের বাচ্চাদের কাশির ধরনের অনুযায়ী চিকিৎসা সম্পর্কে এই পোষ্টের মাধ্যমে আমরা আলোচনা করতে চলেছি। বাংলাদেশের বাজারে বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানি বিভিন্ন নামে সর্দি-কাশির ট্যাবলেট বিক্রি করে থাকে। 
অতিরিক্ত কাশি হলে কি ওষুধ খাব ? বাচ্চাদের সর্দি কাশির সিরাপ স্কয়ার

এর মধ্যে কিছু ওষুধ কাশির জন্য উপকারী আবার কিছু ওষুধ কোন কাজ করে না বা ক্ষতিকর। এজন্য আমাদের আসল ঔষধ চিনতে হবে। চলুন তাহলে অতিরিক্ত কাশি দূর করার কিছু ওষুধ সম্পর্কে আলোচনা করা যায়।

অতিরিক্ত কাশি হলে কি ওষুধ খাব 

আমাদের ভেতর অনেকেই অতিরিক্ত কাশি হলে কি ওষুধ খাব, বুকের কফ বের করার ওষুধ নাম, শুকনো কাশি হলে কি ওষুধ খাব ,বাচ্চাদের সর্দি কাশির ঔষধের নাম ইত্যাদি সম্পর্কে জানতে চাই। অতিরিক্ত কাশি আমাদের ভেতরে অনেকেরই একটি পরিচিত সমস্যা। বিশেষ করে বৃদ্ধদের ও বাচ্চাদের ক্ষেত্রে এই কাশি গুলো বেশি দেখা যায়। অতিরিক্ত কাশির অনেকগুলো ধরন আছে। এই কাশির ধরনের অনুযায়ী ওষুধ খেলে কাশি থেকে অনেকটাই পরিত্রান পাওয়া যায়। চলুন তাহলে কাশির ধরন অনুযায়ী ওষুধের তালিকা সম্পর্কে আলোচনা করা যাকঃ
  • ডেক্সট্রোমেথরফান ( Dextromethorphan)
  • লেভোড্রোপ্রোপিজিন( Levodropropizine)
  • ফোলকোডিন ( Pholcodine)
  • কোডিন ফসফেট ( Codeine Phosphate)
  • নস্ক্যাপিন ( Noscapine)
  • বেনজোনাটেট ( Benzonatate)
  • ব্রোমহেক্সিন ( Bromhexine)
  • অ্যামব্রক্সল ( Ambroxol)
  • গাইফেনেসিন ( Guaifenesin)
  • অ্যাসিটাইল সিস্টেইন ( Acetylcysteine)
  • কার্বোসিস্টেইন ( Carbocisteine)
  • ব্রোমহেক্সিন ও টারবিউটালিন ( Bromhexine + Terbutaline)
  • সালবিউটামল ও গাইফেনেসিন ( Salbutamol + Guaifenesin)
  • সেটিরিজিন ( Cetirizine)
  • লেভোসেটিরিজিন ( Levocetirizine)
  • লোরাটাডিন ( Loratadine)
  • ডেসলোরাটাডিন ( Desloratadine)
  • ফেক্সোফেনাডিন ( Fexofenadine)
  • ক্লোরফেনিরামিন ( Chlorpheniramine)
  • ডাইফেনহাইড্রামিন ( Diphenhydramine)
  • সালবিউটামল ( Salbutamol)
  • টারবিউটালিন ( Terbutaline)
  • মন্টেলুকাস্ট ( Montelukast)
  • বুডেসোনাইড ইনহেলার ( Budesonide Inhaler)
  • ফরমোটেরল ও বুডেসোনাইড ( Formoterol + Budesonide)
  • প্যারাসিটামল ( Paracetamol)
  • প্যারাসিটামল ও ফেনাইলএফ্রিন ( Paracetamol + Phenylephrine)
  • প্যারাসিটামল ও ক্লোরফেনিরামিন ( Paracetamol + Chlorpheniramine)
  • তুলসী সিরাপ ( Tulsi Syrup)
  • বাসক সিরাপ ( Basak Syrup)
  • মধু সিরাপ ( Honey-based Cough Syrup)
  • যষ্টিমধু ( Glycyrrhiza / Licorice )
  • যষ্টিমধু (Liquorice / Glycyrrhiza )

অতিরিক্ত কাশি হলে কি করতে হবে

আমাদের ভেতর অনেকেরই অতিরিক্ত কাশির সমস্যা রয়েছে। এই কাশি নিরাময়ের অনেক উপায় আছে। যেমন আপনি চাইলে গরম পানি বারবার চুমুক দিয়ে পান করুন। মধু ১–২ চা চামচ দিনে ২ বার পান করুন তবে ডায়াবেটিস হলে সাবধান। আদা বা লেবু চা উপকার দেয়। ধুলো, ধোঁয়া, ঠান্ডা বাতাস ও ধূমপান এড়িয়ে চলুন। কথা কম বলুন, গলা বিশ্রামে রাখুন। রাতে মাথা একটু উঁচু করে ঘুমান

শুকনো কাশি হলে গলা শুষ্ক রাখবেন না, গরম পানীয় নিন। প্রয়োজনে কাশি কমানোর সিরাপ ব্যবহার করা যায়। কফসহ কাশি হলে কফ বের হতে সাহায্য করে এমন ওষুধ দরকার। পানি বেশি খাবেন। সর্দি বা অ্যালার্জির কারণে হলে অ্যালার্জির ওষুধ ও নাক পরিষ্কার রাখা কাজে দেয় হাঁপানি বা শ্বাসকষ্ট থাকলে
ইনহেলার ঠিকভাবে ব্যবহার করুন, নিজে নিজে নতুন ওষুধ শুরু করবেন না।
আরো পড়ুনঃ কবুতরের নাম দাম ও ছবি
কাশি ৭–১০ দিনের বেশি সময় ধরে থাকলে, শ্বাস নিতে কষ্ট, বুক ব্যথা বা রক্তসহ কাশি হলে, জ্বর ৩ দিনের বেশি থাকলে, শিশু, বয়স্ক বা গর্ভবতী হলে, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ বা হাঁপানি থাকলে। কফ থাকলে কাশি কমানোর ওষুধ নিজের ইচ্ছায় খাওয়া উচিত নয়। এছাড়াও একসাথে অনেক সিরাপ বা ট্যাবলেট খাওয়া ঠিক না। যে কোন ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক নিজে নিজে খাওয়া উচিত নয়।

অতিরিক্ত কাশি কমানোর ঘরোয়া উপায়

উপরে আমরা অতিরিক্ত কাশি হলে কি ওষুধ খাব এই সম্পর্কে জেনেছি এবার বলুন অতিরিক্ত কাশি কমানোর ঘরোয়া উপায় সম্পর্কে জেনে আসা যাক। অতিরিক্ত কাশি কমানোর অনেক ঘরোয়া উপায়ে রয়েছে যেগুলো মেনে চললে ঘরে বসেই অতিরিক্ত কাশি নিরাময় করা সম্ভব। বিশেষ করে যদি আপনার কাশি হালকা হয় বা সর্দি ঠান্ডা থেকে আসে। নিচে অতিরিক্ত কাশি কমানোর কিছু ঘরোয়া উপায় সম্পর্কে আলোচনা করা হলোঃ
আরো পড়ুনঃ মাথা ব্যথা কমানোর ১০টি ওষুধের নাম
কুসুম গরম পানি দিনে বারবার অল্প অল্প করে পান করুন। গলা আর্দ্র থাকে, কাশি কমে। ১ চা চামচ খাঁটি মধু সরাসরি বা কুসুম গরম পানির সঙ্গে নিন। রাতে খেলে বেশি উপকার হয়। ১ বছরের কম বয়সী শিশুকে মধু দেবেন না। আদার ছোট টুকরো চিবানো বা আদা চা খাওয়া যায়। কাশি ও গলা ব্যথায় ভালো।
কুসুম গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে দিনে ২–৩ বার গার্গল করুন। গলার খুসখুস কমে। ৫–৬টা তুলসি পাতা চিবানো বা পানিতে ফুটিয়ে খাওয়া যেতে পারে। রাতে ঘুমানোর আগে গরম দুধে অল্প হলুদ মিশিয়ে পান করুন। শুকনো কাশিতে উপকারী। গরম পানির ভাপ ৫–১০ মিনিট নিন। নাক বন্ধ ও কফ জমা কাশিতে আরাম দেয়।

স্যুপ, ঝোল, গরম ভাত গলার জ্বালা কমায়। ঠান্ডা খাবার এড়িয়ে চলুন। ধুলাবালি, সিগারেটের ধোঁয়া, ঠান্ডা বাতাস কাশি বাড়ায়। রাতে শোয়ার সময় বালিশ একটু উঁচু রাখুন। এতে রাতের কাশি কমে। রাতে দেরিতে খাওয়া বন্ধ করুন। ঝাল, তেল মসলা কম খান। উপরের এই ঘরোয়া উপায় গুলো মেনে চললে আশা করা যায় আপনার কাশি নিরাময় হবে।

অতিরিক্ত কাশি কিসের লক্ষণআমাদের ভেতর অনেকেই অতিরিক্ত শুকনো কাশি কিসের লক্ষণ এই সম্পর্কে জানতে চাই। অতিরিক্ত কাশি সাধারণত কোনো রোগ নয়। এটা সাধারণত শরীরের ভেতরের কোনো সমস্যা বা রোগের লক্ষণ । কারণটা কাশি কতদিন হচ্ছে, শুকনো না কফসহ, আর সঙ্গে আর কী উপসর্গ আছে তার ওপর নির্ভর করে।

হঠাৎ কাশি শুরু হয়। গলা খুসখুস, জ্বর, নাক দিয়ে পানি পড়া থাকতে পারে। কফসহ কাশি হয়। সকালে বেশি হয়। বুকে ভার লাগতে পারে। শুকনো কাশি বেশি হয়। রাতে বা ভোরে বাড়ে। হাঁচি বা চোখ চুলকানি থাকতে পারে। শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। শোঁ শোঁ শব্দ হয়। ঠান্ডা বা ধুলায় কাশি বেড়ে যায়। রাতে শুয়ে কাশি বাড়ে। বুক জ্বালা, ঢেঁকুর, টক পানি উঠে আসে।

দীর্ঘদিনের কাশি থাকে। সকালে বেশি হয়। ৩ সপ্তাহের বেশি কাশি, ওজন কমা, রাতে ঘাম, কখনো রক্তসহ কফ। যদি কাশি খুব দীর্ঘদিন থাকে বা ধীরে ধীরে বাড়ে। নাক বা সাইনাসের পানি গলার পেছনে পড়ে কাশি হয়। বারবার গলা পরিষ্কার করতে হয়। রাতে কাশি বাড়ে। মাথা ভার লাগে। কপাল বা গালের পাশে ব্যথা। ঘন কফ নাকে বা গলায় জমে থাকে।
আরও পড়ুনঃ মোনাস ১০ এর কাজ কি? কোন রোগের জন্য কার্যকরী, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ও খাওয়ার নিয়ম
শুরুতে শুকনো কাশি, পরে কফ হয়। বুকে চাপ বা ব্যথা অনুভূত হতে পারে। উচ্চ জ্বর, কফসহ কাশি, বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট। দ্রুত চিকিৎসা দরকার। কিছু উচ্চ রক্তচাপের ওষুধে দীর্ঘদিন শুকনো কাশি হয়।হঠাৎ তাপমাত্রা বদলালে কাশি শুরু হয়। গলা শুকিয়ে যায়। শরীরে পানি কম হলে গলা শুকনো থাকে, কাশি বাড়ে। কিছু ক্ষেত্রে নার্ভাস কাশি হয়। রাতে বা বিশ্রামে কমে যায়। শুয়ে কাশি বেড়ে যায়। পা ফোলা, শ্বাসকষ্ট থাকতে পারে।ধোঁয়া, গাড়ির ধুলা, রান্নার ধোঁয়ায় দীর্ঘদিন কাশি থাকতে পারে।

অতিরিক্ত কাশি হলে কি সিরাপ খাব

অতিরিক্ত কাশির বাজারে বিভিন্ন সিরাপ পাওয়া যায়। তবে কাশির জন্য সবাই একই সিরাপ খেতে পারেন না। কাশির ধরনের অনুযায়ী এই সিরাপের নির্বাচন করতে হয়। সব সিরাপ সব কাশির জন্য কাজ করে না। এজন্য কাশির জন্য সিরাপ খাওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন ডাক্তার আপনার রোগের ধরন অনুযায়ী নির্দিষ্ট সিরাপ নির্বাচন করে দিবে।
আরো পড়ুনঃ filmet 400 এর কাজ কি? কোন কোন রোগে কার্যকরী, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও খাওয়ার নিয়ম
শুকনো কাশিতে সাধারণত কফ বের হয় না, গলা খুসখুস করে। এই ক্ষেত্রে কফ বন্ধ করে এমন কফ-সাপ্রেসেন্ট সিরাপ কাজে আসে। ঘন বা পাতলা কফ উঠলে কফ বের হতে সাহায্য করে এমন এক্সপেক্টোরেন্ট সিরাপ দরকার। কফ বন্ধ করার সিরাপ এ ক্ষেত্রে খাওয়া ঠিক না। ধুলা, ঠান্ডা বা রাতে বাড়লে অ্যান্টিহিস্টামিনযুক্ত সিরাপ উপকার দেয়। শুধু কাশির সিরাপে পুরো সমাধান হয় না। এসিড কমানোর ওষুধ দরকার হতে পারে।

অতিরিক্ত কাশির সিরাপ এর তালিকা সমূহঃ

শুকনো কাশির জন্য সিরাপ
আমাদের কথা অনেকেই অতিরিক্ত শুকনো কাশি হলে কি ওষুধ খাব বা সিরাপ খাব এই সম্পর্ক জানতে চাই। শুকনো কাশি বলতে সাধারণত ওই কাশিকে বোঝায় যে কাশিতে কফ থাকে না বরং গলা খুসখুস করে। শুকনো কাশির জন্য যেই সিরাপ গুলো খেতে পারেন সেগুলো হলোঃ
  • ডেক্সট্রোমেথরফ্যানযুক্ত সিরাপ
  • কোডিনবিহীন কফ সাপ্রেসেন্ট সিরাপ
  • লেভোড্রোপ্রোপিজিনযুক্ত সিরাপ
অনেকেরই কপসহ কাশির সমস্যা রয়েছে। এই কফ আমাদের গলায় অনেক অস্বস্তির সৃষ্টি করে এবং এই কফের কারণে আমাদের বুক ভার লাগে। এই সর্দি-কাশির কিছু ওষুধ রয়েছে যেমনঃ
  • ব্রোমহেক্সিনযুক্ত সিরাপ
  • অ্যামব্রক্সলযুক্ত সিরাপ
  • গুইফেনেসিনযুক্ত সিরাপ
  • ব্রোমহেক্সিন + গুইফেনেসিন কম্বিনেশন
পরিবেশের ধুলা, ঠান্ডা, রাতে বা ভোরে বিভিন্ন কারণে এই ধরনের এলার্জি কাশি হতে পারে। এই কাশির থেকে মুক্তি পাওয়ার সিরাপ হলোঃ
  • ক্লোরফেনিরামিনযুক্ত সিরাপ
  • ডিফেনহাইড্রামিনযুক্ত সিরাপ
  • লোরাটাডিন বা সিট্রিজিনযুক্ত সিরাপ
  • সালবুটামলযুক্ত সিরাপ
  • ব্রঙ্কোডাইলেটর কম্বিনেশন সিরাপ

বাচ্চাদের সর্দি কাশির ঔষধের নাম

আমাদের চারপাশে অনেক সময় বিভিন্ন বয়সের বাচ্চাদের সর্দি কশির সমস্যা হয়ে থাকে। ১ থেকে ৬ বছর বাচ্চাদের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ওষুধ দেওয়া হয়। বাচ্চাদের বয়স অনুযায়ী এই ওষুধগুলো নাম দেয়া হলঃ

১ বছরের বাচ্চাদের সর্দি কাশির ঔষধের নাম

১ বছরের বাচ্চাদের সর্দি-কাশির ওষুধ খাওয়ানোর আগে সতর্ক থাকতে হবে। কেননা এত অল্প বয়সে যদি বড়দের ওষুধ খাওয়ান তাহলে বাচ্চা সুস্থ হওয়ার থেকে অসুস্থ হয়ে পড়ার সম্ভাবনা বেশি থাকবে। এছাড়াও বাচ্চারা অতি সংবেদনশীল হওয়ায় ভুল ওষুধ বা ভুল নিয়মে ওষুধ খাওয়ানোর ফলে বড় ধরনের ক্ষতির মুখোমুখি হতে পারেন। এছাড়া বেশিরভাগ সিরাপ নিরাপদ নয়। তবে বাচ্চাদের জন্য তৈরি করা এমন অনেক সিরাপ আছে এগুলো খেলে বাচ্চারা সুস্থ হয়ে উঠবে ও এগুলো সাধারণত নিরাপদ।১ বছরের বাচ্চাদের জন্য সাধারণত যে ওষুধগুলো ব্যবহার করা যেতে পারে সেগুলো হলঃ

কাশির সাথে জ্বর বা ব্যথা থাকলে প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ খেতে হয়। এই ওষুধগুলো সাধারণত সরাসরি কাশি নিরাময়ের ওষুধ নয় এগুলো শরীরে জ্বর বা ব্যথার কারনে কাশি হলে খেতে হয় এই ওষুধগুলো হল যেমনঃ
  • Napa Baby
  • Ace Baby
  • Paracetamol Baby Syrup
অনেক সময় সর্দির কারণে বাচ্চাদের নাক বন্ধ হয়ে আসে। যদি সর্দির কারণে বাচ্চার নাক বন্ধ থাকে তাহলে এই ধরনের ওষুধ ব্যবহার করতে হয়। এই ওষুধগুলো সাধারণত বাচ্চাদের নাককে পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।
  • Normal Saline Nasal Drop
  • Otrivin Baby Saline
  • Seaclens Baby
বাচ্চাদের অ্যালার্জির কারণে হওয়া সর্দি সারাতে ডাক্তাররা কিছু ওষুধ ব্যবহার করা পরামর্শ দেয় যেমনঃ
  • Desloratadine Baby Syrup
  • Cetirizine Baby Syrup

যে সিরাপ গুলো বাচ্চাদেরকে খাওয়াবেন না

আমরা অনেক সময় অজান্তে বাচ্চাদেরকে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া বিভিন্ন ঔষধ বা সিরাপ খাইয়ে থাকি যেগুলো বাচ্চাদের খাওয়ালে নানান রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে। সাধারণত ১ বছরের কম বা কাছাকাছি বয়সে বাচ্চাদের যে সিরাপ গুলো এড়িয়ে চলা উচিত সেগুলো হলঃ
  • ডেক্সট্রোমেথরফ্যান
  • কোডিন
  • ব্রোমহেক্সিন
  • অ্যামব্রক্সল
  • মাল্টি কম্বিনেশন কাশির সিরাপ

কিভাবে ১ বছরের বাচ্চাদের ঘরোয়া ভাবে যত্ন নিবেন

  • বুকের দুধ বা স্বাভাবিক দুধ খাওয়াতে থাকো
  • কুসুম গরম পানি অল্প অল্প করে ব্যবহার করুন
  • বাচ্চাদেরকে সব সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন স্থানে রাখুন।
  • ধুলাবালি ও ঠান্ডা বাতাস এড়িয়ে চলুন
  • বাচ্চাদের বুকে ও পিঠ হালকা গরম ভাপ দিন
  • নিয়মিত বুকে হালকা মালিশ করতে পারেন।

৩ বছরের বাচ্চাদের সর্দি কাশির ঔষধের নাম

৩ বছরের বাচ্চাদের ক্ষেত্রে সর্দি-কাশির সমস্যা খুবই স্বাভাবিক। এই সর্দি কাশি নিরাময়ে বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা বাচ্চাদেরকে বিভিন্ন ওষুধ খাওয়ার পরামর্শ দেয়। বাচ্চার ওজন, বয়স ও সর্দি-কাশির ধরন অনুযায়ী এই ওষুধগুলো দেওয়া হয়। ৩ বছরের বাচ্চাদের সর্দি–কাশিতে চিকিৎসা করা সেই ওষুধগুলো সাধারণত পরামর্শ দিয়ে থাকে সেগুলো হলোঃ

  • (Butamirate syrup 
  • Dextromethorphan syrup
  • Ambroxol syrup
  • Bromhexine syrup
  • Cetirizine syrup
  • Loratadine syrup
  • Paracetamol syrup
  • Normal Saline nasal drop
অতিরিক্ত কাশি হলে কি ওষুধ খাব ? বাচ্চাদের সর্দি কাশির সিরাপ স্কয়ার

৬ মাসের বাচ্চাদের সর্দি কাশির ঔষধের নাম

  • Normal Saline nasal drop( Nasol, Otrivin Baby Saline)
  • Paracetamol syrup

বাচ্চাদের সর্দি কাশির এন্টিবায়োটিক ঔষধের নাম

বাচ্চাদের অনেক সময় জ্বর সর্দি কাশি হয়ে থাকে। বাচ্চাদের এই জ্বর সর্দি কাশির জন্য কিছু এন্টিবায়োটিক ঔষধ আছে। সর্দি কাশির জন্য সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিক ট্যাবলেট এর প্রয়োজন হয় না। কেননা অধিকাংশ সর্দি–কাশি হয় ভাইরাসের কারণে । তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যাকটেরিয়া জনিত সর্দি-কাশি হয়ে থাকে। এজন্য ডাক্তার কিছু এন্টিবায়োটিক ওষুধ দেয়।

তবে এক্ষেত্রে ডাক্তার যদি নিশ্চিত হন যে আপনার ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ এর কারণে সর্দি কাশি হয়েছে সে ক্ষেত্রে শুধুমাত্র অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে থাকে। ডাক্তারের সাজেস্ট করা কিছু অ্যান্টিবায়োটিক ট্যাবলেটের নাম হলোঃ Amoxicillin, Amoxicillin + Clavulanic Acid (Augmentin), Azithromycin, Cefixime ,Cefuroxime ও Ceftriaxone ইত্যাদি।

বাচ্চাদের সর্দি কাশির সিরাপ স্কয়ার

ইতিমধ্যেই আমরা অতিরিক্ত কাশি হলে কি ওষুধ খাব এই সম্পর্ক জেনেছি। এবার আমরা বাচ্চাদের সর্দি কাশির সিরাপ স্কয়ার ফার্মাসিটিক্যাল লিমিটেড কোনগুলো সেই সম্পর্কে জানব। বাংলাদেশের বাজারে অনেকগুলো ঔষধ কোম্পানি বিভিন্ন নামে সর্দি কাশির সিরাপ বাজার জাত করে থাকে। এদের মধ্যে অন্যতম একটি ঔষধ কোম্পানি হলো স্কয়ার ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেড। স্কয়ার ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেড কোম্পানির ঔষধ গুলো খুবই কার্যকরী ও বিশ্বাসযোগ্য।

বিভিন্ন নামে স্কয়ার কোম্পানি তাদের সর্দি কাশির সিরাপ বাজারে এনে থাকে । যেমন ( Dyvon Plus Suspension ) এই সিরাপটি সাধারণত বাচ্চাদের সর্দি কাশি সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। Ace Raspberry (Cough relief syrup) Square এর এই সিরাপটি বাচ্চাদের কাশি ও সর্দি জন্য ভালো। তাছাড়াও রয়েছে Adovas Syrup4 , Tusca / Tusca Plus Syrup এই স্কয়ার সিরাপটি কফসহ কাশির যদি শ্বাসকষ্ট হয় সেক্ষেত্রে ব্যবহার করা যেতে পারে।

সাধারণ প্রশ্নঃ

বেশি দিন কাশি হলে কি করনীয়? 

বেশি দিন ধরে কাশি থাকলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা গ্রহণ করুন। কেননা এটা বড় ধরনের কোন রোগের লক্ষণ হতে পারে এমনকি ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে।

কাশি হলে কি কি খাওয়া যাবে না?

কাশি হলে আমাদের যে খাবারগুলো থেকে বিরত থাকা উচিত সেগুলো হলো তেল চর্বি, ভাজাপোড়া, অ্যালকোহল জাতীয়, চিনি, অতিরিক্ত লবণ দুগ্ধ জাতীয় খাবার ও যে সকল খাবার আমাদের কফ বৃদ্ধি করতে পারে সেই খাবারগুলো আমাদের এড়িয়ে চলা উচিত।

বাচ্চাদের সর্দি কাশির সিরাপ কোনটা ভালো?

বাংলাদেশের বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের কাশির সিরাপ পেয়ে যাবেন। তবে সবচেয়ে ভালো হয় আপনার সর্দি কাশির ধরনের অনুযায়ী ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ভালো ওষুধ নির্বাচন করা।

উপসংহারঃ অতিরিক্ত কাশি হলে কি ওষুধ খাব ? বাচ্চাদের সর্দি কাশির সিরাপ স্কয়ার 

উপরে আমরা অতিরিক্ত কাশি হলে কি ওষুধ খাব, বাচ্চাদের সর্দি কাশির এন্টিবায়োটিক ওষুধের নাম, বাচ্চাদের সর্দি কাশির সিরাপ স্কয়ার ট্যাবলেট সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি । বাচ্চাদের ক্ষেত্রে সর্দি কাশির সমস্যা খুবই সাধারণ একটি ব্যাপার। এই কাশি নিরাময়ের বিভিন্ন ওষুধ ট্যাবলেট বা সিরাপ পাওয়া যেয়ে থাকে। উপরে আমরা এই বিষয়ে আলোচনা করেছি। আশা করা যায় এই পোস্টটি থেকে আপনারাও উপকৃত হয়েছেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url