গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ কত দিন পর বোঝা যায়-প্রথমবার ও ২য় বার গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ
গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ কত দিন পর বোঝা যায়, প্রথমবার গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ ও ২য় বার গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ, প্রেগনেন্সি টেস্ট কিড ব্যবহারের লক্ষণ ও গর্ভবতী হওয়ার ১ সপ্তাহ থেকে ৪০ তম সপ্তাহের লক্ষণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য আলোচনা করতে চলেছি। গর্ভাবস্থায় একটা মায়ের জীবনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়ের ভেতর একটি।
এ সময়ে আমাদেরকে অনেক কিছু খেয়াল রাখতে হয়। এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা আপনাদের কাছে গর্ভাবস্থার বিভিন্ন সপ্তাহের লক্ষণ ও সাবধানতা, সতর্কতা করণীয় সম্পর্কে আলোচনা করতে চলেছি। চলুন তাহলে গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ কত দিন পর বোঝা যায় এই সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা যাক।
গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ কত দিন পর বোঝা যায়-প্রথমবার গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ
গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ কত দিন পর বোঝা যায়-প্রথমবার, ২য় বার ও তৃতীয়বার গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ কি ইত্যাদি সম্পর্কে আমরা এই পোষ্টের মাধ্যমে আলোচনা করব। গর্ভধারণ একটি নারীর জীবনে খুবই মূল্যবান ও গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এই সময়টাতে মহিলাদের ভিতরে অনেক মানসিক ও শারীরিক ভাবে পরিবর্তন নিয়ে আসে।
অনেক বিবাহিত গর্ভবতী নারীরা জানতে চান গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ কতদিন পর বোঝা যায়। এই প্রশ্নের উত্তরটা একটু জটিল কেননা এক এক নারীর শরীরে এক এক ধরনের লক্ষণ প্রকাশ পেতে পারে। তবে গর্ভধারণের ৭ থেকে ১৪ দিনের ভেতরে যেন লক্ষণ গুলো প্রকাশ পায় তা মোটামুটি সব নারীর ক্ষেত্রে একই।
গর্ভধারণের লক্ষণ কত দিনে বোঝা যায়?
গর্ভধারণের লক্ষণগুলো সাধারণত ধাপে ধাপে প্রকাশ পেয়ে থাকে। এর ভেতরে কিছু লক্ষণ আছে যেগুলো খুব তাড়াতাড়ি প্রকাশ পায় এবং কিছু লক্ষণ আছে যেগুলো দেরিতে প্রকাশ পাই।৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যেঃ এই সময়টার মধ্যে কিছু মহিলার মধ্যে খুব প্রাথমিক ও সাধারণ লক্ষণ দেখা দায়ী যেমন দুর্বলতা, হালকা রক্তক্ষরণ ও হালকা ব্যথা ইত্যাদি।
১৪ দিনের মধ্যে লক্ষণগুলোঃ বেশিরভাগ নারীদের ক্ষেত্রে মাসিক বন্ধ হয়ে যায় এই সময় থেকে এর আসল লক্ষণ গুলো প্রকাশ পেতে থাকে।
৩ থেকে ৪ সপ্তাহ পরঃ শরীর ক্লান্ত , স্তনে তীব্র ব্যথা, ঘন ঘন প্রস্তাব হওয়া ও বমি বমিভাব ইত্যাদি লক্ষণ প্রকাশ পেতে থাকে।
১৪ দিনের মধ্যে লক্ষণগুলোঃ বেশিরভাগ নারীদের ক্ষেত্রে মাসিক বন্ধ হয়ে যায় এই সময় থেকে এর আসল লক্ষণ গুলো প্রকাশ পেতে থাকে।
৩ থেকে ৪ সপ্তাহ পরঃ শরীর ক্লান্ত , স্তনে তীব্র ব্যথা, ঘন ঘন প্রস্তাব হওয়া ও বমি বমিভাব ইত্যাদি লক্ষণ প্রকাশ পেতে থাকে।
গর্ভবতী হওয়ার ১ম থেকে ৪০ তম সপ্তাহের লক্ষণ সমূহঃ
মহিলাদের গর্ভবতী হওয়ার বিভিন্ন সপ্তার বিভিন্ন লক্ষণ প্রকাশ পায়। এই বিভিন্ন সপ্তাহের লক্ষণ গুলোর মাধ্যমে মাধ্যমে কেউ গর্ভবতী কিনা তা পরীক্ষা করতে পারবেন। চলুন তাহলে ভগর্ভবতী হওয়ার ১ম থেকে ৪০ তম সপ্তাহের লক্ষণ গুলো ধারাবাহিকভাবে আপনাদের সামনে আলোচনা করা যাক।
গর্ভবতী হওয়ার ১ম সপ্তাহের লক্ষণ
গর্ভবতী হওয়ার প্রথম সপ্তাহে সাধারণত কোন প্রকার লক্ষণ প্রকাশ পায় না। কেননা বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মতে এই সময়ে গর্ভধারণ সবে মাত্র শুরু হয়। এমনকি অনেক সময় এই সপ্তাহে প্রেগন্যান্সি টেস্ট করলে নেগেটিভ আসার সম্ভাবনা বেশি থাকে। এমনকি বমি বমি ভাব ও বুক ব্যথার সম্ভাবনা দেখা যায় না। তবে শরীরের কিছু কিছু লক্ষণের মাধ্যমে গর্ভবতী হওয়ার ১ম সপ্তাহের লক্ষণগুলো বোঝা সম্ভব। চলুন তাহলে এর কিছু লক্ষণ সম্পর্কে নিচে আলোচনা করা যাকঃ- শরীর দুর্বল ও ক্লান্ত হয়ে পড়া।
- তলপেটে সামান্য টান ও অস্থিরতা অনুভূতি হওয়া।
- মুড সময় সময়ে পরিবর্তন হওয়া।
- মাথা ঘোরা।
- সারাক্ষণ ঘুম ঘুম ভাব অনুভূতি করা।
- গর্ভবতী হওয়ার ২য় সপ্তাহের লক্ষণ
- মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়া
- কোন মহিলা গর্ভধারণ করেছে কিনা সেটা বোঝার প্রাথমিক লক্ষণ হল মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়া। সাধারণত মাসিক নিয়মিত ভাবে না হলে ও মাসিক চক্র নিয়মিত হলে এটা অনেকটা গর্ভধারণের লক্ষণ। তবে সবক্ষেত্রে এই অবস্থা গর্ভধারণের লক্ষণ নাও হতে পারে। অনেক সময় মহিলাদের ওজনের পরিবর্তন, মানসিক চাপ, ও অন্যান্য স্বাস্থ্যগত অবস্থার কারণে মাসিক চক্র বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে নিশ্চিত ভাবে বোঝার জন্য প্রেগনেন্সি টেন্স করা ভালো।।
- হালকা রক্তক্ষরণ হতে পারে
গর্ভবতী হওয়ার দ্বিতীয় সপ্তাহের লক্ষণ
গর্ভবতী হওয়ার ৬ থেকে ১২ দিন বা দ্বিতীয় সপ্তাহের মহিলাদের হালকা রক্তক্ষরণের সমস্যা হতে পারে। যেটা সাধারণত মাসিকের তুলনায় অনেক কম । এই রক্তের রং হালকা বাদামী বা গোলাপি রঙের হয়ে থাকে। যা সাধারণত ইমপ্লান্টেশন ব্লিডিং নামে বেশি পরিচিত। এই রক্তক্ষরণের প্রক্রিয়া যখন ঘটে তখন নিষিক্ত ডিম্বাণু গর্ভাশয় এর দেয়ালের সাথে যুক্ত হয়।হালকা কোমর বা তলপেটে ব্যাথা হতে পারে
অনেক নারীদের ক্ষেত্রে গর্ভধারণের ২য় সপ্তাহ বা ৭ থেকে ১০ দিনের ভিতরে কোমর অথবা তলপেটে হালকা ব্যথা অনুভব করতে পারে। এই ব্যথাটি খুব বেশি তীব্র হয় না এবং ব্যাথা সাধারণত কয়েক ঘন্টা থেকে কয়েক দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।
গর্ভবতী হওয়ার তৃতীয় সপ্তাহের লক্ষণ
গর্ভাবস্থায় তৃতীয় সপ্তায় আপনি সাধারণত বাইরে থেকে কিছুই বুঝতে পারবেন না তবে আপনার শরীরের মধ্যে অনেক কিছু ঘটে চলেছে। এ সপ্তাহের প্রথমদিকে মহিলাদের ডিম্বাণুর সাথে পুরুষদের শুক্রাণুর মিলিত হয়ে ভ্রূণ এর সৃষ্টি করে। এই ভ্রূণটি আপনার শরীরে নয় মাস ধরে বড় হতে থাকে।ভ্রূণ তৈরির হওয়ার পর জরায়ুতর দিকে ডিম্বনালী বেয়ে চলে আসে। এ সপ্তাহের পরে সেই ভ্রন্টটি জরায়ুর গায়ে লেগে যাবে। এবং সেখান থেকেই ভ্রন্টটি আগামী মাসগুলো বেড়ে উঠবে।
গর্ভবতী হওয়ার চতুর্থ সপ্তাহের লক্ষণ
মহিলাদের মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়া।বমি বমি ভাব হওয়া।
স্তনের সাংবেদনশীলতা বেড়ে যাওয়া।
সারাখন ঘুম ঘুম ভাব লাগা।
গর্ভবতী হওয়ার পঞ্চম সপ্তাহের লক্ষণ
- সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর বমি বমি ভাব হতে পারে।
- যেকোনো ধরনের গন্ধে বিরক্তিবোধ হতে পারে।
- ক্ষুধামান্দা দেখাতে পারে বা ক্ষুধা বেড়ে যেতে পারে।
- শরীর ক্লান্ত হয়ে পড়তে পারে।
- মানসিকতা পরিবর্তন হতে পারে
গর্ভবতী হওয়ার ৬ষ্ঠ সপ্তাহের লক্ষণ
- আগের সপ্তাহের তুলনায় বমি ভাব আরো বেশি বাড়তে পারে।
- স্তন ভারী হয়ে যাবে।
- ঘন ঘন প্রস্তাব লাগবে।
- ক্ষুধামন্দা বা খাবারের প্রতি অরুচি দেখা যাবে।
- পেটের নিচে টান লাগা অনুভূতি হবে।
গর্ভবতী হওয়ার সপ্তম সপ্তাহের লক্ষণ
- মাথা ঘুরতে পারে।
- বমি ভাব হতে পারে
- গন্ধের প্রতি সমবেদনশীলতা বাড়বে।
- খাবার খেতে ভালো না লাগা
গর্ভবতী হওয়ার অষ্টম সপ্তাহের লক্ষণ
- বমি ভাব আগের সপ্তাহের তুলনায় অনেক বেশি বৃদ্ধি পেতে পারে।
- খাবারের প্রতি অরুচি লাগবে।
- স্তনের পরিবর্তন আরো বেড়ে যাবে ও ইস্পষ্ট হয়ে উঠবে।
- হালকা পরিশ্রমে ক্লান্তি লাগবে।
গর্ভবতী হওয়ার নবম সপ্তাহের লক্ষণ।
- শরীরে হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি পাবে।
- স্বাদ ও ও গন্ধে পরিবর্তন আসবে।
- মাঝে মাঝে মুড পরিবর্তন হবে
- মাথা ব্যাথা হতে পারে।
গর্ভবতী হওয়ার দশম সপ্তাহের লক্ষণ
- আগের মতন বমি ভাব থাকবে বা কমতে পারে
- ত্বক শুষ্ক অথবা তৈলাক্ত হতে পারে।
- কোষ্ঠকাঠিন্যর সমস্যা দেখা দিবে।
- পেটের ফোলা ভাব হালকা বোঝা যাবে।
গর্ভবতী হওয়ার ১১ তম দিনের লক্ষণ
- বমি ভাব অনেকটা কমে আসবে
- শরীরের শক্তি ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাবে।
- গ্যাসের সমস্যা হতে পারে
গর্ভবতী হওয়ার ১২ তম সপ্তাহের লক্ষণ
- এই সপ্তাহে আপনার গর্ভাবস্থার তিন মাস পূর্ণ হবে
- বেশি বেশি ক্ষুধা লাগবে
- বমি ভাব অনেকটা কমে আসবে
- গর্ভাবস্থার লক্ষণ অনেকটা প্রকাশ পাবে
গর্ভবতী হওয়ার ১৩ তম সপ্তাহের লক্ষণ
- বমি লাগা কমে যাবে
- ক্ষুধা বৃদ্ধি পাবে
- শরীরের শক্তি পুনরায় ফিরে আসতে শুরু করবে
গর্ভবতী হওয়ার ১৪ তম সপ্তাহের লক্ষণ।
- ঘন ঘন মুড পরিবর্তন হওয়া
- পেটের নানা রকম সমস্যা দেখা দেওয়া
- মাথা ব্যাথার সমস্যা কমে যাওয়া
গর্ভবতী হওয়ার 15 তম সপ্তাহের লক্ষণ
- ত্বকে টানটান ভাব অনুভূতি হতে পারে
- নাক কান বন্ধ হয়ে আসতে পারে
- সর্দি লাগার মতন অনুভূতি হতে পারে
- দাঁত ও দাঁতের মাড়ির সংবেদনশীলতা বাড়বে
গর্ভবতী হওয়ার 16 তম সপ্তাহের লক্ষণ
- এই সপ্তাহে পেটের ভেতরে বাচ্চার নড়াচড়া অনুভব করতে পারবেন
- গর্ভবতীর লক্ষণ অনেক বেশি প্রকাশ পাবে
- শরীরের শক্তি বৃদ্ধি হবে
গর্ভবতী হওয়ার ১৭ তম সপ্তাহের লক্ষণ।
- ওজন বৃদ্ধি পাবে
- ক্ষুধা বৃদ্ধি পাবে
- কোমর, মাজা ও পিঠ ব্যাথা করবে
গর্ভবতী হওয়ার ১৮ তম সপ্তাহের লক্ষণ
- গর্ভের শিশুর নড়াচড়া বাড়বে
- মাথা ঘুরতে পারে
- পায়ের গোড়ালিতে ব্যথা হতে পারে
গর্ভবতী হওয়ার ১৯ তম সপ্তাহের লক্ষণ।
- তকে মানসিক চাপের লক্ষণ প্রকাশ পাবে
- ঘুমের সমস্যা সৃষ্টি হবে
- বুকে জ্বালা পোড়ার সৃষ্টি হবে
গর্ভবতী হওয়ার ২০ তম সপ্তাহের লক্ষণ
- গর্ভাবস্থার লক্ষণ ও শিশুর নড়াচড়া পরিষ্কার ভাবে বুঝতে পারবেন
- পেট বড় হয়ে যাবে
- শ্বাস নিতে একটু কষ্ট হতে পারে
গর্ভবতী হওয়ার ২১ তম সপ্তাহের লক্ষণ
- ক্ষুধা বৃদ্ধি পাবে
- কোমর ব্যথা আরো বাড়বে
- পায়ে আঘাত লাগতে পারে
গর্ভবতী হওয়ার ২২ তম সপ্তাহের লক্ষণ
- ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক ও চুলকানি ভাবে
- ঘুমের ধারণ পরিবর্তন হবে।
- পেটে চাপ অনুভব করতে পারবেন
গর্ভবতী হওয়ার ২৩ তম সপ্তাহের লক্ষণ
- শরীরে পানি জমবে
- হাত ও পা ফুলে যাবে
- শরীর ভারী হয়ে আসবে
- গর্ভের শিশুর আঘাত বুঝতে পারবেন।
গর্ভবতী হওয়ার ২৪ তম সপ্তাহের লক্ষণ
- শ্বাস নিতে কষ্ট হবে।
- হালকা পরিশ্রমে ক্লান্ত অনুভব করবেন
- বুক জ্বালা হতে পারে
গর্ভবতী হওয়ার ২৫ তম সপ্তাহের লক্ষণ
- এই সপ্তাহে আপনার গর্ভধারণের ছয় মাস প্রায় শেষ হয়ে আসবে
- পেট বড় হয়ে যাবে
- পিঠে প্রবল ব্যথা অনুভূতি হবে
- গর্ভের শিশুর নাড়াচাড়া বুঝতে পারবেন
গর্ভবতী হওয়ার ২৬ তম সপ্তাহের লক্ষণ
- ঘন ঘন প্রস্তাব হবে
- পেটের চাপের কারণে শ্বাস নিতে কষ্ট হবে
- পেটে টান লাগবে
গর্ভবতী হওয়ার ২৭তম সপ্তাহের লক্ষণ
- এই সপ্তাহে আপনার গর্ভধারনের ৬ মাস পূর্ণ হবে
- ঘুমের সমস্যা তৈরি হবে
- পেট ভারী হয়ে আসবে
গর্ভবতী হওয়ার ২৮ তম সপ্তাহের লক্ষণ
- পেটের শিশুর নাড়াচাড়া বাড়বে
- পায়ে আঘাত লাগতে পারে অথবা ব্যথা পেতে পারেন
- শ্বাস নিতে একটু কষ্ট হবে
গর্ভবতী হওয়ার ২৯ তম সপ্তাহের লক্ষণ
- হালকা পরিশ্রমেই ক্লান্ত হয়ে পড়বেন
- বুকে ভারে ভাব অনুভব করবেন
- ঘুমের সমস্যা হবে
গর্ভবতী হওয়ার ৩০ তম সপ্তাহের লক্ষণ
- পা ফোলার মতন সমস্যা হতে পারে
- পেটে টান লাগতে পারে
- পিঠে ব্যথা হতে পারে
গর্ভবতী হওয়ার ৩১ তম সপ্তাহের লক্ষণ।
- গর্ভের শিশু অনেকটা বড় হয়ে যাবে
- শিশুর অবস্থান কিছুটা পরিবর্তন হবে।
- শ্বাস প্রশ্বাস নিতে কষ্ট হবে
- ঘন ঘন প্রস্রাব হবে
গর্ভবতী হওয়ার ৩২ তম সপ্তাহের লক্ষণ
- ওজন খুবই দ্রুত বৃদ্ধি পাবে
- কোমর ব্যাথা করবে
- শিশুর চলাফেরা স্পষ্ট ভাবে বুঝতে পারবেন
গর্ভবতী হওয়ার ৩৩ তম সপ্তাহের লক্ষণ
- পেট অনেকটা ফোলা ও শক্ত হয়ে যাবে
- বুকের জ্বালাপোড়া হবে
- ঘুমের সমস্যা হতে পারে
গর্ভবতী হওয়ার ৩৪ তম সপ্তাহের লক্ষণ
- সামান্য পরিশ্রমে বা হাঁটতে কষ্ট হবে বা ক্লান্ত লাগবে
- পেট অনেকটা ভারী হয়ে আসবে
- শ্বাস নিতে অনেকটা কষ্ট হতে পারে
গর্ভবতী হওয়ার ৩৫ তম সপ্তাহের লক্ষণ
- এই সপ্তাহে গর্ভবতী নারী সন্তান প্রসবের জন্য অনেকটা তৈরি
- গর্ভবতী শিশুর মাথা নিচের দিকে অবস্থান করবে
- প্রস্তাবের চাপ বাড়বে
গর্ভবতী হওয়ার ৩৬ তম সপ্তাহের লক্ষণ
- শিশু পেটের নিচে অবস্থান করবে
- শিশু পেটে নিচে থাকায় শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা কিছুটা কমবে
- হাঁটতে কষ্ট হবে
- পানি জাতীয় পদার্থ নিঃসরণ বাড়বে।
গর্ভবতী হওয়ার ৩৭ তম সপ্তাহের লক্ষণ
- প্রসবের সময় খুবই নিকটবর্তী হবে
- ঘন ঘন ব্যথা অনুভব করবেন
- গর্ভের শিশুর চলাফেরা কিছুটা কমবে
গর্ভবতী হওয়ার ৩৮ তম সপ্তাহের লক্ষণ
- প্রসবের ব্যথা শুরু হবে
- কোমরে টানা অনুভব করবেন
- শরীর অনেকটা ভারী ও ক্লান্ত হয়ে আসবে
গর্ভবতী হওয়ার ৩৯ তম সপ্তাহের লক্ষণ
- যে কোন সময় গর্ভপাত হতে পারে
- মিউকাস প্লাগ বাইরে বের হয়ে আসতে পারে
- গর্ভের ব্যথা শুরু হতে পারে
গর্ভবতী হওয়ার ৪০ তম সপ্তাহের লক্ষণ।
- এই সময়ে গর্ভধারণের ১০ মাস পূর্ণ হবে
- এই সপ্তাহে আপনার প্রসবের সঠিক সময়
- তলপেটে তীব্র ব্যথা অনুভব করবেন
- শরীর থেকে পানি ভাঙবে
- শিশু জন্মের সঠিক সময়ে চলে আসবে
২ থেকে ৪ সপ্তাহ পর গর্ভধারণের লক্ষণ
বমি বমি ভাব ও বমি হওয়াঃ গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ কত দিন পর বোঝা যায় সাধারণত গর্ভধারণের ২ থেকে ৮ সপ্তাহ পর সাধারণত মহিলার বমি বমি ভাব শুরু হয়ে থাকে। এটি সকালে সাধারণত বেশি অনুভব হয়ে থাকে। তবে কিছু ক্ষেত্রে এই সমস্যাটি সারাদিনও হতে পারে। গর্ভবতী নারীদের শরীরে HCG হরমোন বৃদ্ধির কারণে খাবারের গন্ধে বমি আসতে পারে।শরীর ক্লান্ত ও দুর্বলঃগর্ভাবস্থার শুরুর দিকে মহিলাদের শরীরে বিভিন্ন হরমোনের পরিবর্তনের জন্য শরীর দুর্বল ও ক্লান্তি হয়ে যায়। শরীর ভারি হয়ে আসতে, পারে সারাদিন ঘুম ঘুম ভাব লাগে, ও বিভিন্ন কাজের প্রতি অনীহা আসতে পারে।
স্তনে ব্যথা ও পরিবর্তনঃ গর্ভধারণের প্রথম অবস্থায় স্তন ফুলে যায় ও যেকোনো স্পর্শের কারণে ব্যথা অনুভূত হতে পারে। শরীরে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোনের কারণে স্তনের নিপলের রং কিছুটা গাঢ় ও নরম হয়ে যায় হয়ে যায়।
ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়াঃ মহিলাদের গর্ভধারণের সময় শরীরে রক্ত প্রবাহের মাত্রা অনেকটা বেড়ে যায় এর ফলে কিডনির কার্যকারিতা বাড়ে। যার কারণে গর্ভধারণের সময় মহিলাদের ঘন ঘন প্রস্রাবের।
খাবারের প্রতি চাহিদা বা আনিহার সৃষ্টিঃ কিছু কিছু গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে বিভিন্ন খাবারের প্রতি চাহিদা অনেক বেড়ে যায় যেমন টক মসলা বা চকলেট জাতীয় খাবারের প্রতি চাহিদা বাড়ে। পাশাপাশি কিছু কিছু খাবারের প্রতি অনীহা বাড়ে।
ঘন ঘন মানসিকতার পরিবর্তনঃ শরীরে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরনের হরমোন এর মাত্রা বৃদ্ধির কারণে গর্ভাবস্থায় নারীদের মেজাজ পরিবর্তন হয়। এই সময় খুব সহজেই বা বিনা কারণে রাগ হওয়া, হঠাৎ খুশি ও হঠাৎ কান্না, খুব বেশি আবেগপ্রবণ হওয়া ইত্যাদি মানসিক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।
শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়াঃ গর্ভধারণের সময় মহিলাদের শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। এই বৃদ্ধি পাওয়া যদি ১৮ দিনের বেশি সময় ধরে থাকে তাহলে গর্ভধারণের সম্ভাবনা আছে।
প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিট ব্যবহারের নিয়ম
গর্ভধারণ পরীক্ষা কখন করবেন?
মাসিক যদি নির্দিষ্ট সময় মতন না হয় তাহলে প্রেগনেন্সি টেস্ট কিট ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া আপনি চাইলে ঘরোয়া উপায়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট করতে পারেন।
সকালের প্রথম প্রস্রাবের মাধ্যমে এই পরীক্ষা করলে সবথেকে ভালো ফলাফল পাবেন। তবে আপনি দিনের যেকোনো সময় এই পরীক্ষাটি করতে পারবেন।স্ট্রিপে যদি কোন রঙিন লাইন দেখতে পান তাহলে প্রেগন্যান্সি নেগেটিভ বা অন্তঃসত্ত্বা নয়। আর যদি স্ট্রিপে পরপর দুইটি রঙ্গিন লাইন দেখতে পান তাহলে ফলাফল পজিটিভ বা গর্ভবতী। আর যদি কোন রঙের লাইন দেখা না যায় তাহলে পরীক্ষাটি বাতিল।
প্রেগনেন্সি টেস্ট কিট ব্যবহারের নিয়মঃ
সাধারণত কোন মহিলার গর্ভধারণ করছে কিনা সেটা বোঝার নির্ভরযোগ্য ও নির্ভুলভাবে বোঝার অন্যতম উপায় হল প্রেগনেন্সি টেস্ট কিডের ব্যবহার করা। এই যন্ত্রটি ব্যবহার করা খুবই সহজ। গর্ভধারণের সময় মহিলাদের শরীরে বিটা এইচসিজি নামক হরমোন তৈরি হয়। যেটার মাধ্যমে প্রেগনেন্সি বা গর্ভধারণ পরীক্ষা করা হয়। আপনি চাইলে এই যন্ত্রের মাধ্যমে ঘরে বসেই প্রস্রাব পরীক্ষা করে প্রেগনেন্সির অবস্থা টেস্ট করতে পারবেন।সকালের প্রথম প্রস্রাবের মাধ্যমে এই পরীক্ষা করলে সবথেকে ভালো ফলাফল পাবেন। তবে আপনি দিনের যেকোনো সময় এই পরীক্ষাটি করতে পারবেন।স্ট্রিপে যদি কোন রঙিন লাইন দেখতে পান তাহলে প্রেগন্যান্সি নেগেটিভ বা অন্তঃসত্ত্বা নয়। আর যদি স্ট্রিপে পরপর দুইটি রঙ্গিন লাইন দেখতে পান তাহলে ফলাফল পজিটিভ বা গর্ভবতী। আর যদি কোন রঙের লাইন দেখা না যায় তাহলে পরীক্ষাটি বাতিল।
হোম প্রেগনেন্সি টেস্ট করার নিয়মঃ
- সকালে মহিলাদের শরীরে HCG হরমোন এর মাত্রা বেশি থাকায় সকালের প্রথম প্রস্তাবের মাধ্যমে টেস্ট করা ভালো।
- একটি কাপের ভিতরে আপনার প্রস্রাব সংগ্রহ করুন এরপর টেস্ট স্ট্রিপে নির্ধারিত পরিমাণ প্রস্রাব নিন।
- ৫ থেকে ১০ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
- যদি একটি লাইন দেখেন তাহলে অন্তঃসত্তা নয়। আর যদি দুইটি লাইন দেখে তাহলে গর্ভধারণ প্রায় নিশ্চিত।
কখন ডাক্তার দেখাবেন?
- যদি আপনার প্রেগনেন্সি টেস্ট টি পজিটিভ হয় তাহলে দ্রুত ডাক্তার দেখানো উচিত।
- মাসিক বন্ধ হওয়ার পরও যদি দেখেন আপনার টেস্টের ফলাফল নেগেটিভ আসছে তাহলে কিছুদিন পর আবার টেস্ট করুন। প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
- যদি তীব্র ব্যথা বা হালকা রক্তক্ষরণ হয় তাহলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
প্রথমবার গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ সমূহঃ
প্রথমবার গর্ভবতী হওয়ার কিছু লক্ষণ আছে যেই লক্ষণগুলো দেখলে আপনি খুব সহজে বুঝতে পারবেন আপনি গর্ভবতী কিনা। চলুন তাহলে প্রথমবার গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণগুলো নিচে তুলে ধরা যাক।- পেটে ব্যথা অনুভূতি হওয়া।
- ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া
- হালকা পরিশ্রমে ক্লান্তি লাগা
- মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়া বা পিরিয়ড মিস হওয়া
- বমি বমি ভাব বা বমি হওয়ার
- বুকে ব্যথা অনুভব করা
- খাবারের প্রতি অরুচি আশা
- মুড ঘন ঘন পরিবর্তন হওয়া
- হজমজনিত বিভিন্ন সমস্যা হওয়া ইত্যাদি।
২য় বার গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ
উপরে আমরা গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ কত দিন পর বোঝা যায় ও প্রথমবার গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। চলুন এবার দ্বিতীয়বার গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ সম্পর্কে আলোচনা করা যাক।গর্ভবতী হওয়ার অন্যতম প্রধান লক্ষণ গুলোর মধ্যে একটি হলো পিরিয়ড মিস করা। বিয়ের পরবর্তীতে একজন মহিলার পিরিয়ড মিস হওয়ার অর্থ সাধারণত গর্ভধারণ।মহিলাদের প্রথম ও দ্বিতীয় বাড়ির গর্ভধারণের লক্ষণ গুলো অনেকটাই একই ধরনের। তবে কিছু কিছু লক্ষণের ভেতর ভিন্নতা লক্ষ্য করা যায়। ২য় বার গর্ভধারণের লক্ষণ গুলো হলো বমি বমি ভাব, মাথা ব্যথা বিশেষ করে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর মাথা ব্যথা করা, খাবার খেতে গেলে বমি লাগা ও কিছু নির্দিষ্ট খাবারের প্রতি আকর্ষণ বৃদ্ধি পাওয়া ইত্যাদি লক্ষণগুলো প্রকাশ পেতে পারে।
গর্ভবতী মায়েদের সতর্কতা ও সাবধানতা
গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ কত দিন পর বোঝা যায় এই সম্পর্কে আমরা ইতিমধ্যে আলোচনা করেছি । এছাড়া আমরা আলোচনা করেছি প্রথমবার ও দ্বিতীয়বার গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ। গর্ভাবস্থার শুরু থেকেই গর্ভবতী নারীদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের দিকে অবশ্যই মনোযোগ রাখতে হবে। কেননা এই সময় তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের যত্নের খুবই দরকার। একজন সুস্থ স্বাভাবিক মা একটি সুস্থ সন্তান জন্ম দিয়ে থাকে। এজন্য আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত গর্ভবতী নারীর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা।- গর্ভবতী মায়েদের শরীরে প্রয়োজনীয় ফলিক অ্যাসিড, আয়রন, জিংক, ক্যালসিয়াম, বিটামিন , ভিটামিন ও বিভিন্ন খনিজ পদার্থের চাহিদা পূরণ করা। এই উপাদান গুলো শিশুর স্বাভাবিক অসুস্থ ভাবে বিকাশের সাহায্য করবে।
- গর্ভাবস্থায় বিভিন্ন ধরনের উপকারী পানীয় পান করুন যেমন জুস, বিটরুটের রস ও নারিকেল পানি ইত্যাদি।
- গতকালীন সময় বিভিন্ন মাদকদ্রব্য থেকে বিরত থাকুন যেমন তামাক, মদ ইত্যাদি এগুলা আপনার শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশে বালাগ্রস্ত করবে।
- ডাক্তারের পরামর্শ ব্যতীত কোন ধরনের ঔষধ সেবন করা থাকে বিরত থাকুন।
- গর্ভাবস্থায় একজন দক্ষ ট্রেইনারের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ব্যায়াম করতে পারেন। এতে আপনার ও শিশুর স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।
- গর্ভবতী মায়েদের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণের বিশ্রাম খুবই গুরুত্বপূর্ণ এজন্য আপনার খাবার ঘুম নিশ্চিত করুন।
- গর্ভবতী নারীদের মানসিক চাপ থেকে সবসময় বেঁচে থাকা উচিত কেন না মানসিক চাপ আপনার শরীরের নানাবিধ হরমোনের পরিবর্তন ঘটিয়ে আপনার ও আপনার শিশুর স্বাস্থ্য কে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।
- পর্যাপ্ত পরিমাণের পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করুন।
- গর্ভাবস্থায় যে কোন সমস্যাই ডাক্তারের পরামর্শ নিন
সাধারণ প্রশ্ন সমূহ(FAQ)
পেগনেট হওয়ার প্রথম লক্ষণ কী কী?
প্রেগনেন্ট হওয়ার প্রথম লক্ষণ হল মাসিকের পরিবর্তন বা মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়া এছাড়াও বমি হওয়া ইত্যাদি।pregnancy-early-symptomsকত দিন পর প্রেগন্যান্সি টেস্ট?
মাসিক বন্ধ হওয়া প্রথম দিনের ভেতর প্রেগনেন্সি টেস্ট করা ভালো।সহবাসের কত দিন পরে বাচ্চা পেটে আসে?
সহবাসের ১ থেকে ২ সপ্তাহ বা ১৫ দিনের ভেতরে বাচ্চা পেটে আসতে পারে।প্রেগনেন্ট হলে কত দিনের মধ্যে বোঝা যায়?
প্রেগনেন্ট হলে ৭ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে বোঝা যায়৩য় বার গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ কি?
প্রথম ও দ্বিতীয় বার গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ গুলোর মতই তৃতীয়বার গর্ভবতীর লক্ষণ অনেক টা একই।উপসংহারঃ গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ কত দিন পর বোঝা যায়-প্রথমবার ও ২য় বার গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ
উপরে আমরা গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ কত দিন পর বোঝা যায়, প্রথমবার গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ ও ২য় বার গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ, প্রেগনেন্সি টেস্ট কিড ব্যবহারের লক্ষণ, গর্ভবতী হওয়ার ১ম সপ্তাহের লক্ষণ, গর্ভবতী হওয়ার দ্বিতীয় সপ্তাহের লক্ষণ এছাড়াও গর্ভবতী হওয়ার ১ থেকে ৪০ তম সপ্তাহের লক্ষণ সম্পর্কে আলোচনা করেছে। গর্ভাবস্থায় মায়েদের সাবধানে ও সতর্কতার সাথে চলাফেরা করা উচিত। আশা করা যায় এই পোস্টের মাধ্যমে আপনারা উপকৃত হয়েছেন।


অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url