কোন খাবারে কত ক্যালরি থাকে? ভাত,মাংস,খেজুর,সয়াবিন,রুটি ,মুড়ি
কোন খাবারে কত ক্যালরি থাকে যেমনঃ ভাত, মাংস, রুটি, খেজুর, দুধ, ডিম, মাখন,
পরোটা, চিনি, মুড়ি, সয়াবিন তেল ইত্যাদি খাবারে কত ক্যালরি থাকে , ওজন অনুযায়ী
আমাদের ক্যালরি গ্রহনের পরিমাণ ও আমাদের দৈনন্দিন জীবনে কতটুকু ক্যালরি খাওয়া
নিরাপদ
এই সম্পর্কে বিস্তারিত আমরা আজকে এই পোস্টের মাধ্যমে আলোচনা করব। চলুন তাহলে
আমাদের ওজনকে স্বাভাবিক রাখার জন্য কোন খাবারে কত ক্যালরি থাকে এই সম্পর্কে
আলোচনা করা যাক।
ক্যালরি ও কিলোক্যালরির মধ্যে পার্থক্য
আমরা সাধারণত খাদ্যের ক্যালরিকে বলতে কিলোক্যালরি বুঝে থাকি। খাদ্যের পুষ্টি গুণের বা শর্করা পরিমাপ হল কিলো ক্যালরি। যেকোনো খাদ্যের ক্যালরি মূল্যকে কিলোক্যালরিতে প্রকাশ করা হয়ে থাকে। যেমন: কোন ব্যক্তি যদি ১৫০০ ক্যালরি যুক্ত কোন খাবার খায় তাহলে ধরা হবে সে ১৫০০ কিলোক্যালরি খেয়েছেন।
আবার কোনো খাবারের প্যাকেটের গায়ের লেবেলে যদি উল্লেখ থাকে ৯৫ ক্যালরি তাহলে
তার মানে ওই খাবারের ক্যালরির মান ৯৫×১০০০=৯৫০০০ ক্যালরি অথবা ৯৫ কিলোক্যালরি।
উল্লেখ্য যে ১০০০ ক্যালরির সমপরিমাণ এক কিলোক্যালরি ও ৩৫০০ ক্যালরি সমপরিমাণ এক
কেজি শরীরের ওজন শরীরে চর্বি বা ফ্যাট।
অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণ করার প্রভাব
- আমরা যদি আমাদের শরীরে চাহিদার তুলনায় বেশি ক্যালরি গ্রহণ করি তাহলে আমাদের ওজন বৃদ্ধি পাবে আর যদি কম ক্যালরি গ্রহন করি তাহলে ওজন কমে যাবে। এজন্য আমাদের শরীরে চাহিদা অনুযায়ী ক্যালোরি গ্রহণ করা উচিত এতে আমাদের শরীরের ওজন ঠিক থাকে।
- শারীরিক পরিশ্রম বা ব্যায়াম করলে আমাদের শরীরে তাপ উৎপন্ন হয় যার মাধ্যমে শরীরে শক্তি খরচ হয় ফলে শরীরের ক্যালরি বার্ন হয়।
- কম ক্যালরি গ্রহণ করা ছাড়াও ক্যালরি বার্ন করার সহজ উপায় নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম অথবা নিয়মিত ব্যায়াম করা। এজন্য টুকটাক হাঁটা চলা করা, বাড়ির ছোটখাটো কাজ করা যাতে আমাদের শরীরের ঘাম উৎপাদন হয় বা হার্টবিট বেড়ে যায় এ ধরনের কাজ করা উচিত।
- আমরা অনেক সময় বেশি পরিমাণ ক্যালরিযুক্ত খাবার খেয়ে থাকি এতে আমাদের ওজন বৃদ্ধি হতে পারে এই অতিরিক্ত ওজন আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ হতে । অতিরিক্ত গ্যালারি ফরে আমাদের টাইপ ২ ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হাইপারটেনশন, হৃদরোগ, আর্থ্রাইটিস, অবসাদ, ক্যান্সার ইত্যাদি হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। সুতরাং এই অতিরিক্ত ক্যালরি আমাদের শরীরে ফ্যাট হয়ে জমে যাতে ওজন বৃদ্ধি না পাই সেই দিকে খেয়াল রাখতে হবে। এজন্য আমাদের উচিত নিয়মিত শরীরচর্চার মাধ্যমে শরীরের অতিরিক্ত ক্যালরি বার্ন করা।
- আমরা নিয়মিত যে ধরনের খাবার বেশি পরিমাণ গ্রহণ করে থাকি যেমন: অতিরিক্ত তেল যুক্ত খাবার, চিনিযুক্ত খাবার, অতিরিক্ত মসলা জাতীয়,ঘি, ভাজাপোড়া, মাখন যুক্ত খাবার ইত্যাদি ক্যালরি যুক্ত খাবার বেশি পরিমাণ খেলে আমাদের ওজন বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। এই খাবারগুলো খেলে নিয়মিত ব্যায়াম করলেও আমাদের ওজন কমবে না।
- বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে কম ক্যালরি যুক্ত খাবার গ্রহন করলে আমাদের শরীরের আয়ু বৃদ্ধি পায়, শরীরের কোষগুলো ধীরে ধীরে ধ্বংস হয়, অ্যান্টি এজিং বা বয়স কম মনে হয়, আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, শরীরের স্বাভাবিক ফিটনেস বা কাঠামো বজায় থাকে ও মন সবসময় প্রফুল্ল থাকে।
- তবে দৈনিক ১২০০ কিলো ক্যালরির কম খাবার গ্রহণ করা উচিত নয়, এতে আমাদের শরীরের কাজ করার সক্ষমতা অনেকটা কমে যায়, অলসতা বা কাজের প্রতি অনীহা দেখা যায়, শরীরের মেটাবলিজম স্বাভাবিকের থেকে কমে যায়, শরীরের পুষ্টি চাহিদা ঠিকভাবে পূরণ হয় না।
- আমাদের শারীরিক চাহিদার থেকে খাবার কম গ্রহণ করলে আমাদের শরীরের ওজন অতিরিক্ত মাত্রায় কমে যাবে, শরীরের শক্তি কমে যাবে বা দুর্বল লাগবে, অঙ্গ-প্রত্বঙ্গগুলোর সঠিক কার্যকারিতা নষ্ট হবে ও শরীরের মেটাবলিক বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকাংশে কমে যাবে।
- আমাদের শরীরের ভেতরের স্বাভাবিক কার্যক্রমকে ঠিক রাখতে যেমন: শ্বাস প্রশ্বাস নেওয়ার জন্য, খাবার-হজমের জন্য, শারীরিক পরিশ্রমের জন্য, মস্তিষ্কের কাজ স্বাভাবিক রাখার জন্য, কিডনির কার্যকারিতা ঠিক রাখার জন্য, শরীরের শক্তি বৃদ্ধির জন্য, হৃদ স্পন্দনের মাত্রা স্বাভাবিক রাখার জন্য, শ্বাস প্রশ্বাস নেয়ার জন্য আমাদের প্রচুর পরিমাণে ক্যালরির প্রয়োজন হয়। এজন্য আমাদের নিয়মিত শরীরের চাহিদা অনুযায়ী ক্যালরি যুক্ত খাবার গ্রহণ করা উচিত।
- এছাড়াও আমাদের দৈনন্দিন জীবনের কাজকর্ম যেমন: যেকোনো ধরনের শারীরিক পরিশ্রম, ঘরে অথবা ঘরের বাইরের কাজ, হাঁটা চলা করা, ব্রেইনের কাজ করা ইত্যাদির জন্যেও আমাদের কিছু ক্যালরি দরকার। আমাদের শরীরের অঙ্গ-প্রত্বঙ্গগুলোর কাজ সচল রাখার জন্য প্রচুর ক্যালরি দরকার।
কিভাবে ক্যালরি যুক্ত খাবার গ্রহণ করা উচিত?
ক্যালরি আমাদের শরীরের তাপ উৎপাদন করে ও শরীরের কর্মক্ষম শক্তি বৃদ্ধি করে দেহ যন্ত্রের কর্মক্ষম ক্ষমতাকে সচল রাখে আমাদের কাজ করার শক্তি যোগায় এজন্য আমাদের অবশ্যই কিভাবে ক্যালরি যুক্ত খাবার গ্রহণ করতে হয় তা সম্পর্কে জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। চলুন তাহলে ক্যালোরি গ্রহণের নিয়ম সম্পর্কে জেনে আসি।প্রথমে আমাদের যে বিষয় জানা গুরুত্বপূর্ণ সেটা হল কোন খাবারে কত ক্যালরি থাকে। একজন মানুষের ক্যালরি গ্রহণের মাত্রা নির্ভর করে ওই ব্যক্তির বয়স, উচ্চতা, লিঙ্গ, ওই ব্যক্তি কতটা কর্মক্ষম বা পরিশ্রমী ওই ব্যক্তির দেহের মাসেলের ঘনত্ব কত, কতটুকু ওজন বৃদ্ধি করতে চাই বা কমাতে চাই, ব্যক্তির BMR, ওজন কি ঠিক রাখতে চান ও ব্যক্তিটি ব্যায়ামের মাধ্যমে নিয়মিত কি পরিমান ক্যালরি বার্ন করে তার ওপর। এজন্য অবশ্যই তাকে উপরের বিষয়গুলো মাথায় রেখে ক্যালোরি গ্রহণ করতে হবে।
সিজারের পর ইনফেকশনের লক্ষণ
আমাদের শরীরের ওজন সঠিক রাখার জন্য পরিমিত মাত্রায় ক্যালোরি যুক্ত খাবার গ্রহণ করতে হবে। তবে আপনি তাইলে মাঝেমধ্যে অতিরিক্ত ক্যালরিযুক্ত খাবার খেতে পারেন এতে তেমন কোনো ক্ষতির সম্ভাবনা নেই। তবে অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে এটা যেন নিয়মিত না হয়। এই অতিরিক্ত ক্যালোরি নিয়ন্ত্রণের জন্য আপনি চাইলে ব্যায়াম করতে পারেন।
আমাদের শরীরের ওজন সঠিক রাখার জন্য পরিমিত মাত্রায় ক্যালোরি যুক্ত খাবার গ্রহণ করতে হবে। তবে আপনি তাইলে মাঝেমধ্যে অতিরিক্ত ক্যালরিযুক্ত খাবার খেতে পারেন এতে তেমন কোনো ক্ষতির সম্ভাবনা নেই। তবে অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে এটা যেন নিয়মিত না হয়। এই অতিরিক্ত ক্যালোরি নিয়ন্ত্রণের জন্য আপনি চাইলে ব্যায়াম করতে পারেন।
এর ফলে শরীরের অতিরিক্ত ক্যালরি ঘামের মাধ্যমে বেড়ে যাবে অথবা শক্তির মাধ্যমে
বের হয়ে যাবে।অধিক মাত্রায় ক্যালরির খাবার গ্রহণ করলে অবশ্যই সেটা দিনের
প্রথম ভাগ বা সকালে খেতে হবে এর ফলে আমাদের সারাদিনের কাজকর্মের মাধ্যমে
অতিরিক্ত ক্যালরি বার্ন হয়ে যাবে। অন্যদিকে রাতে আমরা যেহেতু পরিশ্রম কম করি
এজন্য এই অতিরিক্ত ক্যালরি আমাদের শরীরে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল ও ফ্যাট আকারে জমতে
পারে।
একসাথে অধিক পরিমাণের ক্যালরিযুক্ত খাবার না খেয়ে অল্প অল্প করে দিনের
বিভিন্নভাবে ২০০ থেকে ৫০০ ক্যালরির খাবার খেলে উপকার পাবেন। এতে আমাদের শরীর
ক্যালরিকে কাজে লাগানোর সময় পাবে, শরীরের উপর চাপ সৃষ্টি হবে না ও অতিরিক্ত
ক্যালরি আমাদের শরীরে চর্বি হিসেবে জমা হবে না।
অধিক ক্যালরিযুক্ত খাবার খাওয়ার সাথে সাথে অধিক ফাইবার যুক্ত খাবার খাওয়া
উচিত যেমন: সজনে ডাটা, বাদাম, লাল শাক, লাল চালের ভাত, লাল চালের রুটি,
শাক-সবজি, ফল, বাদাম ইত্যাদি খাবার খেতে হবে এতে আমাদের হজম দ্রুত হবে। এছাড়াও
এই খাবারগুলির অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে ও ক্যালরির পরিমান কম থাকে।
একবেলা যদি বেশি ক্যালরি খেয়ে ফেলেন তাহলে চেষ্টা করবেন অন্য বেলায় কোন
ক্যানেলযুক্ত খাবার খেতে। এতে শরীরে ক্যালরির সঠিক ভারসাম্য বজায় থাকবে।
আমরা দৈনন্দিন জীবনে যে অধিক ক্যালরি বা কিলো ক্যালোরি যুক্ত খাবার গ্রহণ করি
তার মধ্যে রয়েছে তেল বা চর্বি, লাল মাংশ, মাখন, ফাস্ট ফুড, জাঙ্ক ফ্রুট, তেলে
ভাজা খাবার, সালাদ, ড্রেসিং, পেপসি, কোকাকোলা, কেক, বিভিন্ন প্রসেস ফ্রুট,
ভাজা, বিস্কিট, অ্যালকোহল, বাদাম, আইসক্রিম, পনির, কম দামি চকলেট, মেয়নেইস,
ক্রিম, ফ্রেন্ডস ফ্রাই, চিনি যুক্ত খাবার, কোমল পানিয়, বিরিয়ানি, ফ্রাইড রাইস,
তেহারি ইত্যাদি যেগুলো আমাদের শরীরের জন্য ক্ষতিকর।
সুতরাং যাদের ওজন অতিরিক্ত তারা তাদের খাদ্যতালিকায় তেল অথবা চর্বি, রুটি, ভাত, শর্করা জাতীয় খাবার, মিষ্টি জাতীয় খাবার, তেলে ভাজা হয়েছে এমন খাবার ইত্যাদি খাবার পরিমাণ কমিয়ে আনতে হবে তাহলে আমাদের ওজন সঠিক থাকবে। ওজন সঠিক রাখতে উপরের খাবার গুলো কম পরিমাণ খেতে হবে।
আমাদের ভেতরে অনেকেরই ধারণা কোন খাবারে যদি বেশি ক্যালরি থাকে তাহলে সেই খাবার খাওয়া যাবে না এতে ওজন বৃদ্ধি পায় কিন্তু ব্যাপারটা আসলে এমন নয়। শর্করা জাতীয় খাবারের সাথে যদি ফাইবার যুক্ত খাবার খাওয়া হয় তাহলে সেই শর্করা যুক্ত খাবার বেশি পরিমাণ খেলে তেমন ক্ষতি হয় না।
এমন অনেক ক্যালরিযুক্ত খাবার আছে যেগুলো খেলে আমাদের অনেক উপকার হয় যেমন:
ডার্ক চকলেট, বাদাম, মধু, পিনাট বাটার, পনির পরিমিত পরিমানে খেলে উপকৃত হবেন।
এছাড়াও কম ক্যালরি যুক্ত খাবার তেমন: সালাদ, শাকসবজি, ডাল, ফল, লাল আটা বা লাল
রুটি, লাল চালের ভাত, কম তেল যুক্ত মাছ বা সাদা মাছ, নুডুলস, মুরগির মাংস, গমের
পাস্তা , কম ফ্যাট দুধ, যেকোন চিনি ছাড়া খাবার, কম ফ্যাট যুক্ত টক দই, লো
ফ্যাট যুক্ত পনির ইত্যাদি।
কোন খাবারে কত ক্যালরি থাকে বিস্তারিত
আমাদের ভিতরে অনেকেই ওজন কমানোর জন্য ডায়েট করার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু আমরা অনেকেই জানিনা কোন খাবারে কত ক্যালরি। জন্য আমরা ভুলবশত অতিমাত্রার ক্যালোরি যুক্ত খাবার খেয়ে থাকি যাতে আমাদের ওজন কুমার পরিবর্তে ওজন আরও বৃদ্ধি পায়। এই সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য আমাদের অবশ্যই কোন খাবারে কত ক্যালরি থাকে এই সম্পর্কে ধারণা থাকা জরুরী।
এতে আমাদের ডায়েট করা অনেক সহজ হবে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য আমরা আপনাদের
সামনে একটি পরিপূর্ণ ডায়েট চার্ট প্রস্তুত করেছি যার মাধ্যমে আপনারা জানতে
পারবেন কোন খাবারে কত কারণে থাকে ওজন কমানো বা বৃদ্ধির জন্য আমাদের কোন খাবার
খাওয়া উচিত আর কোন খাবার খাওয়া উচিত নয়। চলুন তাহলে কোন খাবারে কত ক্যালরি
এই সম্পর্কে বিস্তারিত তালিকা উপস্থাপনা করা যাক।
রুটি জাতীয় অথবা অন্যান্য শর্করা
- নান রুটি মাখন সহ ১টি= ৪২৪ ক্যালরি
- চালের আটা ১ কাপ= ৫৭৮ ক্যালরি
- পরোটা তেলে ভাজা ১টি= ২৪৩ থেকে ২৯০ ক্যালরি
- তন্দুরি রুটি ঘি ছাড়া ১টি= ১৪৭ ক্যালরি
- নুডুলস সিদ্ধ ১ কাপ= ২২০ ক্যালরি
- চাওমেই ১ প্লেট= ১৮২০ থেকে ২৪৩০ ক্যালরি
- তন্দুরি রুটি ঘি ছাড়া ১টি= ১৪৭ ক্যালরি
- নুডুলস সিদ্ধ ১ কাপ= ২২০ ক্যালরি
- চাওমেই ১ প্লেট= ১৮২০ থেকে ২৪৩০ ক্যালরি
- সাদা পাউরুটি ১ স্লাইস= ৬৭ থেকে ৯৬ ক্যালরি
- লাল পাউরুটি ১ স্লাইস= ৬০ থেকে ৮৯ ক্যালরি
- বান রুটি ১টি= ১৫০ ক্যালরি
- চালের রুটি ১টি= ১০৫ ক্যালরি
- সাদা আটার রুটি ১টি= ৭২ ক্যালরি
- লাল আটার রুটি ১টি= ৬০ ক্যালরি
- সাদা আটা ১ কাপ= ৪০০ ক্যালরি
- লাল আটা ১ কাপ= ৩৫৬ ক্যালরি
- আলু পরোটা ১টি= ৩০০ ক্যালরি
- লুচি ১টি= ১৪০ ক্যালরি
- নান রুটি ১টি= ৩১২ ক্যালরিরুমালি রুটি ১টি= ২০০ ক্যালরি
- রুমালি রুটি ঘি সহ ১টি= ২৪৫ ক্যালরি
- তন্দুরি রুটি ঘি সহ ১টি= ১০২ থেকে ১২০ ক্যালরি
- কর্ণ ফ্লাকেস ১ কাপ বা ৩৫ গ্রাম =৩৭০ ক্যালরি
- ময়দা ১ কাপ= ৪৫৫ ক্যালরি
ভাত জাতীয় খাবার
- সাদা চালের ভাত ১ কাপ= ২০০-২৯০ ক্যালরি
- চিকেন বিরিয়ানি ১ কাপ= ৪১৮ ক্যালরি
- ফ্রাইড রাইস ১ কাপ= ১২০-৩৯০ ক্যালরি
- লাল চালের ভাত ১ কাপ= ২১৮ ক্যালরি
- সবজি বিরিয়ানি ১ কাপ= ২২০ ক্যালরি
- সাদা চালের ভাত ১ কাপ= ২০০-২৯০ ক্যালরি
- মুগ ডাল খিচুড়ি ৩ থেকে ৪ কাপ= ১৭৬-২১৫ ক্যালরি
- প্লেন পোলাউ ১ কাপ= ২৫৮ ক্যালরি
- খাসির বিরিয়ানি ১ প্লেট= ৪৭০ ক্যালরি
দুগ্ধ জাতীয় খাবার
- লো ফ্যাট দুধ ১ কাপ বা ২৪০ মিলি= ৯০ ক্যালরি
- সয়া দুধ ১ কাপ= ৯০ ক্যালরি
- দুধ ১ কাপ= ১৪৬ ক্যালরি
- কনডেন্সড মিল্ক ১ থেকে ২ কাপ= ৪৯০ ক্যালরি
বিভিন্ন ডাল জাতীয় খাবারে ক্যালরির পরিমাণ
- মসুর ডাল রান্না করা ১ কাপ =২২৬ ক্যালরি
- মুগ ডাল রান্না করা ১ কাপ= ১৫০ ক্যালরি
- ১০০ গ্রাম= ১৪৫ ক্যালরি
- ১০০ গ্রাম= ১১০ ক্যালরি
- বুটের ডাল রান্না করা ১ কাপ= ১০৭ ক্যালরি
মুরগি জাতীয় খাবারের শর্করার পরিমাণ
- মুরগির কোর্মা ১০০ গ্রাম= ২৫০ ক্যালরি
- মুরগির কলিজা কারি ১০০ গ্রাম= ১৭২ ক্যালরি
- মুরগি ভুনা ১০০ গ্রাম বা ১/২ কাপ= ১৩২ থেকে ৩২৩ ক্যালরি
- চিকেন কাটলেট ১টি= ৩৭৫ ক্যালরি
- ১ কাপ= ২৩৪ থেকে ৩৫৩ ক্যালরি
- চিকেন ফ্রাই ১টি বা ১২৮ গ্রাম= ৩৯০ ক্যালরি
- টিক্কা মুরগি ১০০ গ্রাম= ১৪৮ ক্যালরি
বিভিন্ন মাছ জাতীয় খাবারের
- মাছ কারি ১০০ গ্রাম= ৩২৩ থেকে ৫০০ ক্যালরি
- ইলিশ মাছ ১০০ গ্রাম= ২৭০ ক্যালরি
- রুই মাছ ১০০ গ্রাম= ৯৭ ক্যালরি
- সরপুঁটি মাছ ১০০ গ্রাম =১৬১ ক্যালরি
- পাঙ্গাশ মাছ ১০০ গ্রাম= ১৫১ ক্যালরি
- পুটি মাছ ১০০ গ্রাম =১০ ক্যালরি
- শিং মাছ ১০০ গ্রাম= ১২৪ ক্যালরি
- কৈ মাছ ১০০ গ্রাম =৭০ ক্যালরি
- টেংরা মাছ ১০০ গ্রাম =১৪৪ ক্যালরি
- মাগুর মাছ ১০০ গ্রাম= ৮৬ ক্যালরি
- চিংড়ি মাছ কারি ১০০ গ্রাম =২৬১ ক্যালরি
- চিংড়ি মাছ বড় ও সেদ্ধ ১০০ গ্রাম= ১০০ ক্যালরি
- স্যামন মাছ ১০০ গ্রাম= ১৮০ ক্যালরি
- মাছের কাটলেট ১টি =২২৮ ক্যালরি
- ফিশ ফিঙ্গার তিনটি= ১৬২ ক্যালরি
- ফিশ ফিঙ্গার ১০০ গ্রাম= ২২০ ক্যালরি
ডিম জাতীয় খাবারের ক্যালরির পরিমান
- ডিম সিদ্ধ ১টি= ৭৫ গ্রাম ক্যালরি (কুসুম ৬০ ও সাদা অংশ ১৫ ক্যালরি)
- ডিম পোচ তেল দিয়ে ১টি= ২০২ ক্যালরি
- ডিম ভাজি ১টি= ৯২ থেকে ১৭৫ ক্যালরি
- ডিম পোচ তেল ছাড়া ১টি =৮০ ক্যালরি
গরু থেকে তৈরি জাতীয় খাবার
- গরু ভুনা ১ কাপ= ৪৩৪ ক্যালরি
- গরুর কোর্মা ১১৫ গ্রাম= ১৬৭ ক্যালরি
- গরুর শিক কাবাব ১টি শিক= ১৬০ ক্যালরি
- গরুর সামি কাবাব ১টি= ২১০ ক্যালরি
- গরুর কিমা রান্না করা ২৫০ গ্রাম বা কাপ =৫৫৫ ক্যালরি
- গরুর কাটলেট ১টি= ৫০০ ক্যালরি
- গরুর কলিজা কারি ১০০ গ্রাম= ১৩৫ ক্যালরি
খাসি দিয়ে তৈরি বিভিন্ন খাবার
- খাসির রোস্ট ১০০ গ্রাম= ৩০০ ক্যালরি
- খাসির রেজালা ১০০ গ্রাম =৩২৩ ক্যালরি
- খাসির কোর্মা ১১৪ গ্রাম =১৪৩ ক্যালরি
- খাসির কিমা রান্না ১০০ গ্রাম =১৭৫ ক্যালরি
ভর্তা অথবা ভাজি জাতীয় খাবার
- বেগুন ভর্তা ১০০ গ্রাম= ৭০ ক্যালরি
- আলু ভর্তা ১০০ গ্রাম =১৫০ ক্যালরি
- ঢেরস ভাজি ১ কাপ =১৩০ ক্যালরি
- আলুর দম ১০০ গ্রাম =১০৫ ক্যালরি
- মিষ্টি আলু ১০০ গ্রাম= ৭০ ক্যালরি
- শালগম ১০০ গ্রাম =২৩ ক্যালরি
- বেগুন ভাজি ১ পিস= ১১৪ ক্যালরি
ফাস্ট ফুড জাতীয় খাবারের ক্যালরির মাত্রা
- আলুর চিপস ১ মুঠো= ১৬০ ক্যালরি
- ফ্রেঞ্চ ফ্রাই ১০০ গ্রাম= ২৯৪ ক্যালরি
- বিফ বার্গার ১টি =১১০ থেকে ৬৬০ ক্যালরি
- চিকেন বার্গার ১টি= ২১০ থেকে ৪৫০ ক্যালরি
- চিকেন স্যান্ডউইচ ১টি= ২৭৫ ক্যালরি
- পিজ্জা ছোট আকারের= ১৬৮০ থেকে ২৩১০ ক্যালরি
- হট ডগ ১টি= ২৫০ ক্যালরি
- চিকেন রোল ১টি= ২৩৫ ক্যালরি
- চিকেন শর্মা ১টি= ৪৭৫ ক্যালরি
- ফুসকা ১টি =৫০ ক্যালরি
- চটপটি ১/২ কাপ= ৫০০ ক্যালরি
- পাপড় তেলে ভাজা ১টি= ৪৩ ক্যালরি
- পাপড় গ্রিল্ড বা মাইক্রোওভেন ১টি= ৩০ ক্যালরি
- নিমকি ১টি =১৬৩ ক্যালরি
শাক-সবজি জাতীয় খাবারের ক্যালরির মাত্রা
- মিক্সড সবজি সিদ্ধ ১ কাপ= ৫০ ক্যালরি
- মিক্সড সবজি ভাজি ১ কাপ= ১১০ ক্যালরি
- মিক্সড সবজির কোর্মা ১/২ কাপ= ১৭৩ ক্যালরি
- মিক্সড সবজি (লাবড়া বা কারী) ২০০ গ্রাম =১৯০ ক্যালরি
- সবজির কোফতা কারি ১০০ গ্রাম= ১৪৭ ক্যালরি
- মিক্সড সবজি স্টার ফ্রাই ১ কাপ/ ২০৭ গ্রাম= ৪০-১১২ ক্যালরি
- লাল শাক ভাজি ১/২ কাপ= ৫০ ক্যালরি
- মিষ্টি কুমড়া ১০০ গ্রাম =৫২ ক্যালরি
- বিট বা রুট বিট ১০০ গ্রাম= ৪৫ ক্যালরি
- পালং শাক সিদ্ধ ১ কাপ= ৪১ ক্যালরি
বিস্কিট জাতীয় খাবার
- ক্রিম বিস্কিট ১টি= ৭০ থেকে ১৪০ ক্যালরি
- এনার্জি ্গ্লকোস বিস্কিট ১টি= ২৩ থেকে ৩৩ ক্যালরি
- টোস্ট বিস্কিট ১টি মাঝারি আকারের= ৮৮ ক্যালরি
- Digestive বিস্কিট ১টি= ৭৪ থেকে ৮৬ ক্যালরি
- মেরী বিস্কিট ১টি= ১৬ থেকে ২৮ ক্যালরি
- নোনতা বিস্কিট ১টি= ৪০ ক্যালরি
- চানাচুর ২০ গ্রাম= ১১০ ক্যালরি
বিকালের নাস্তার বিভিন্ন খাবার
- পেয়াজু বা পাকোড়া ১টি= ৬০ থেকে ২১১ ক্যালরি
- ডালপুরি ১টি= ১২৪ ক্যালরি
- সিঙ্গারা ১টি= ২০০ ক্যালরি
- সমুচা ১টি= ১০৩ থেকে ২৫৬ ক্যালরি
- আলুর চপ ১টি= ১৫০ থেকে ২৭৫ ক্যালরি
- স্প্রিং Onion ১০০ গ্রাম= ২৫ ক্যালরি
তেল, ঘি বা সস জাতীয় খাবার
- টমেটো সস ১ টেবিল চামচ= ২৫ ক্যালরি
- মেয়নেইস ১ টেবিল চামচ= ১১০ ক্যালরি
- লো ফ্যাট মেয়নেইস ১ টেবিল চামচ= ৪৫ ক্যালরি
- পিনাট বাটার ১ টেবিল চামচ= ৯৪ ক্যালরি
- মাখন ১ টেবিল চামচ= ১০০ ক্যালরি
- মার্জারিন ১ টেবিল চামচ =৬৮ ক্যালরি
- সয়াবিন তেল ১ টেবিল চামচ =১২০ ক্যালরি
- জলপাই তেল ১ টেবিল চামচ= ১১৯ ক্যালরি
- ক্যানোলা তেল ১ টেবিল চামচ =১২৪ ক্যালরি
- সরষের তেল ১ টেবিল চামচ= ৫৫ ক্যালরি
- অলিভ অয়েল বা সান ফ্লাওয়ার তেল ১ টেবিল চামচ =১৩৫ ক্যালরি
- ঘি ১ টেবিল চামচ= ১১২ ক্যালরি
প্রতিদিনের নাস্তার বিভিন্ন খাবারের ক্যালরির পরিমাণ
- জেলি ১ টেবিল চামচ= ১১০ ক্যালরি
- জ্যাম ১ টেবিল চামচ= ১০০ ক্যালরি
- হরলিক্স ১ টেবিল চামচ= ২০ ক্যালরি
- চকলেট ওভালটিন ১ টেবিল চামচ= ২০ ক্যালরি
- মাখন ১০০ গ্রাম= ৭৫০ ক্যালরি
- মেয়োনিজ ১০০ গ্র্রাম= ৭৫০ ক্যালরি
- চকলেট ১০০ গ্রাম =৫০০ ক্যালরি
- ওভালটিন ১ টেবিল চামচ =২০ ক্যালরি
চা অথবা কফি জাতীয় খাবার
- চা ১ চা চামচ চিনি ও দুধ সহ ১ কাপ= ২৬ ক্যালরি
- কফি ১ চা চামচ চিনি ও দুধ সহ ১ কাপ= ৩৭ ক্যালরি
- চা চিনি ও দুধ ছাড়া ১ কাপ =২ ক্যালরি
- কালো কফি চিনি ও দুধ ছাড়া ১ কাপ= ২ ক্যালরি
চিনি জাতীয় খাবার
- চিনি ১ চা চামচ= ১৬ ক্যালরি
- গুড় ১ চা চামচ= ২৫ ক্যালরি
- মধু ১ চা চামচ= ২২ ক্যালরি
- টফি ১০০ গ্রাম= ৪০০ ক্যালরি
কেক অথবা আইস ক্রিম জাতীয় খাবার
- চকলেট কেক ১ টুকরা =২৩৫ ক্যালরি
- পেস্ট্রি ১ টুকরা= ৩৩০ থেকে ৪০০ ক্যালরি
- ফ্রুট কেক ১ টুকরা= ৩২০ থেকে ৩৬৬ ক্যালরি
- প্লেইন কেক ১ টুকরা= ২১৮ ক্যালরি
- চিজ কেক ১ টুকরা= ১৩৮০ থেকে ১৬৭০ ক্যালরি
- আইস ক্রিম ১ কাপ= ২৬৭ থেকে ৭২০ ক্যালরি
বিভিন্ন পানীয় জাতীয় খাবার
- লেবুর রস ১ টেবিল চামচ =৫ ক্যালরি
- লাচ্ছি চিনি সহ ১ গ্লাস= ১০০-১৫০ ক্যালরি
- আপেলের জুস চিনি ছাড়া ১ গ্লাস =১১৭ ক্যালরি
- আঙ্গুরের জুস চিনি ছাড়া ১ গ্লাস= ১৫৪ ক্যালরি
- কোমল পানীয় ১ বোতল বা ক্যান= ১৫০ ক্যালরি
- চকলেট মিল্ক সেক ১ গ্লাস= ৯০০ ক্যালরি
- পেপের জুস চিনি ছাড়া ১ গ্লাস= ১৪১ ক্যালরি
- ঢাকাই পনির ২ টেবিল চামচ= ৪০ ক্যালরি
- কমলার জুস চিনি ছাড়া ১ গ্লাস= ৯৫ ক্যালরি
- মিক্সড সবজি ও ফলের জুস ১ গ্লাস= ৭২ ক্যালরি
- ডাবের পানি ১ গ্লাস =৫০ ক্যালরি
- বোরহানি ১ গ্লাস= ১০০ ক্যালরি
- মোজারেলা পনির ১ কাপ= ৩৩৬ ক্যালরি
মিষ্টি জাতীয় খাবার
- লাড্ডু ১টি= ২০০ থেকে ২৫০ ক্যালরি
- লালমোহন ১টি =২৮৮ ক্যালরি
- পায়েশ ১০০ গ্রাম= ১৪১ ক্যালরি
- জর্দা ১/২ কাপ= ২০০ থেকে ৪০০ ক্যালরি
- গাজরের হালুয়া চিনি সহ ১ বাটি= ২৬০ থেকে ৪০০ ক্যালরি
- সুজির হালুয়া ৩০ গ্রাম বা ১ পিস= ১০০ ক্যালরি
- চমচম ১টি= ১৭৫ ক্যালরি
- বুটের হালুয়া বা বরফি ১ পিস= ১৫০ থেকে ২০০ ক্যালরি
- নারিকেলের বরফি ১টি= ১৯২ ক্যালরি
- বালুসাই ১টি= ২৫০ ক্যালরি
- রসমালাই ৪ টি বা ৪০ গ্রাম= ২৫০ ক্যালরি
- জিলাপি বড় ১টি =২০০ ক্যালরি
- ছানার সন্দেশ ১টি= ১২০ ক্যালরি
- রসগোল্লা ১টি =১৫০ ক্যালরি
- ক্যারামেল পুডিং ১/২ কাপ =১২০ ক্যালরি
পিঠা জাতীয় খাবার
- পাটিসাপটা ১টি= ৩০০ ক্যালরি
- তেলের পিঠা মালপোয়া ১টি= ৩২৫ ক্যালরি
- ভাপা পিঠা ১টি =৬০০ ক্যালরি
দই জাতীয় খাদ্য
- মিষ্টি দই ১ থেকে ২ কাপ =২০০ ক্যালরি
- ফলের কাস্টার্ড ১০০ গ্রাম= ১০০ ক্যালরি
- টক দই ১ থেকে ২ কাপ= ৬০ ক্যালরি
- ফালুদা ১ গ্লাস= ৩০০ ক্যালরি
- ১ কাপ= ১৭২ থেকে ২৩২ ক্যালরি
বিভিন্ন বাদাম জাতীয় খাদ্য
- আখরোট ১ মুঠো বা ১০০ গ্রাম= ২৬১ ক্যালরি
- পেস্তা বাদাম ১ মুঠো =১৮৮ ক্যালরি
- কাজু বাদাম ১ মুঠো =১৭৮ ক্যালরি
- কাঠ বাদাম ১ মুঠো= ১৬৮ ক্যালরি
- চিনা বাদাম ১ মুঠো= ১৭০ ক্যালরি
- কিশমিশ ১/২ কাপ= ২১০ ক্যালরি
বিভিন্ন ফল জাতীয় খাবার
- খেজুর ১ টি= ২৩ ক্যালরি
- ১০০ গ্রাম= ২৩৫ ক্যালরি
- পিচ ফল ১০০ গ্রাম= ৩০ ক্যালরি
- তরমুজ ১ কাপ= ৪৬ ক্যালরি
- কাঠাল ১ কাপ =১৫৫ ক্যালরি
- পেয়ারা ১ টি =৫০ ক্যালরি
- আম ১ কাপ= ১০৭ ক্যালরি
- আঙ্গুর ১ কাপ বা ১০০ গ্রাম =৬২ ক্যালরি
- অ্যাভোকাডো ১০০ গ্রাম= ২ ক্যালরিপেঁপে ১ কাপ= ৫৫ ক্যালরি
- চেরি ১০০ গ্রাম= ৫০ ক্যালরি
- লিচু ১ কাপ= ১২৫ ক্যালরি
- স্টবেরি ১০০ গ্রাম =৩০ ক্যালরি
- নারিকেল ১০০ গ্রাম =৯৪ ক্যালরি
- কমলা ১০০ গ্রাম =৩০ ক্যালরি
- জলপাই ১০০ গ্রাম= ৮০ ক্যালরি
- ডুমুর ১০০ গ্রাম =৩ ক্যালরি
- সুইট কর্ণ ১০০ গ্রাম= ১৩০ ক্যালরি
- আপেল ১ টি বা ১০০ গ্রাম= ৯০ থেকে ৪৪ ক্যালরি
- সাগর কলা ২ টি বা ১০০ গ্রাম =১১০ থেকে ৬৫ ক্যালরি
- কালো জাম ১০০ গ্রাম= ২৫ ক্যালরি
- আনারস ১ কাপ বা ১০০ গ্রাম =৭৮ থেকে ৪০ ক্যালরি
- নাশপাতি ১টি বা ১০০ গ্রাম= ৮১ থেকে ৩৮ ক্যালরি
- কিউই ১০০ গ্রাম =৫০ ক্যালরি
সালাদ জাতীয় খাবার
- টমেটো ১ টি= ৩০ ক্যালরি
- ক্যাপসিকাম ১ টি= ১৫ ক্যালরি
- মাশরুম ৬০ গ্রাম= ১৫ ক্যালরি
- মটরশুটি ১০০ গ্রাম= ১৪৮ ক্যালরি
- গাজর সেদ্ধ ১০০ গ্রাম= ২৫ ক্যালরিঅন্যান্য মধু ১ চামচ লেবুর রস ১ থেকে ২ টি গরম পানি ১ গ্লাস= ৭৫ ক্যালরি
- ব্রকলি ১০০ গ্রাম= ৩২ ক্যালরি
- পেঁয়াজ সেদ্ধ ১০০ গ্রাম= ১৮ ক্যালরি
- পেঁয়াজ ভাজা ১০০ গ্রাম= ১৫৫ ক্যালরিলেটুস ৩ টি= ৫ ক্যালরি
- শশা ১ থেকে ২ কাপ বা ১০০ গ্রাম= ৪ ক্যাল বা ১০ ক্যালরি
- গাজর ১ কাপ= ৫২ ক্যালরি
- বাঁধাকপি সেদ্ধ ১০০ গ্রাম = ২০ ক্যালরি
- ফুলকপি সেদ্ধ ১০০ গ্রাম =৩০ ক্যালরি
বয়স অনুযায়ী ক্যালরি চার্ট
মানুষের বয়স বাড়ার সাথে সাথে শরীরের মেটাবলিজম ধীরে ধীরে কমে যায়, তাই ক্যালরির চাহিদাও পরিবর্তিত হয়। সাধারণভাবে ১৯–৩০ বছর বয়সী একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের প্রতিদিন প্রায় ২৪০০ থেকে ২৮০০ ক্যালরি প্রয়োজন হয় এবং একই বয়সী একজন নারীর প্রয়োজন হয় প্রায় ১৮০০ থেকে ২২০০ ক্যালরি। শিশু ও কিশোর বয়সে শরীরের বৃদ্ধি বেশি হওয়ায় ক্যালরির চাহিদা তুলনামূলক বেশি থাকে। ৫০ বছরের পর ক্যালরির চাহিদা কিছুটা কমে যায়।ওজন অনুযায়ী ক্যালরি চার্ট
ওজন যত বেশি হয়, শরীরকে সচল রাখতে তত বেশি ক্যালরি দরকার হয়। হালকা শারীরিক পরিশ্রম করা একজন ৫০ কেজি ওজনের মানুষের দৈনিক গড়ে ১৭০০–১৯০০ ক্যালরি প্রয়োজন হয়। ৬০ কেজি ওজন হলে এই চাহিদা ১৯০০–২১০০ ক্যালরি এবং ৭০ কেজিতে ২১০০–২৩০০ ক্যালরির মতো হয়। যারা ভারী কাজ বা নিয়মিত ব্যায়াম করেন, তাদের ক্যালরির চাহিদা আরও বেশি হয়।কত ক্যালরিতে ১ কেজি ওজন কমে
শরীরের চর্বি কমে ১ কেজি ওজন কমাতে মোটামুটি ৭৭০০ ক্যালরি ঘাটতি তৈরি করতে হয়। এই ঘাটতি একদিনে না করে ধীরে ধীরে করা স্বাস্থ্যকর। যেমন, প্রতিদিন ৫০০ ক্যালরি কম খেলে বা ব্যায়ামের মাধ্যমে খরচ করলে প্রায় ১৪–১৫ দিনের মধ্যে ১ কেজি ওজন কমতে পারে।কত ক্যালরিতে এক কেজি ওজন বাড়ে
শরীরের প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত প্রায় ৭৭০০ ক্যালরি গ্রহণ করলে সাধারণভাবে ১ কেজি ওজন বাড়ে। প্রতিদিন ৩০০–৫০০ ক্যালরি বেশি খেলে ধীরে ও নিরাপদভাবে ওজন বৃদ্ধি পায়। খুব দ্রুত বেশি ক্যালরি নিলে শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমার ঝুঁকি থাকে।প্রতিদিন কত ক্যালরি খাওয়া উচিত
প্রতিদিনের ক্যালরি চাহিদা নির্ভর করে বয়স, ওজন, লিঙ্গ এবং কাজের ধরন ওপর। ওজন কমাতে চাইলে নিজের দৈনিক প্রয়োজনের তুলনায় ৩০০–৫০০ ক্যালরি কম খাওয়া ভালো। ওজন ঠিক রাখতে হলে প্রয়োজন অনুযায়ী খেতে হবে এবং ওজন বাড়াতে চাইলে দৈনিক ৩০০–৫০০ ক্যালরি বেশি গ্রহণ করতে হয়।খাবারের ক্যালরি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সমূহঃ
১ চামচ সয়াবিন তেলে কত ক্যালরি
১ চামচ সয়াবিন তেলে গড়ে প্রায় ১২০ ক্যালরি থাকে। তেল খুব বেশি ক্যালরিযুক্ত খাবার, তাই অল্প পরিমাণ খেলেও অনেক ক্যালরি শরীরে ঢুকে যায়। ওজন কমাতে চাইলে তেলের ব্যবহার সীমিত রাখা জরুরি।কত ক্যালরিতে ১ কেজি
শরীরের ওজন ১ কেজি কমানো বা বাড়ানোর মূল হিসাব হলো প্রায় ৭৭০০ ক্যালরি। এই হিসাবটি মূলত শরীরের চর্বির ওপর ভিত্তি করে করা হয় এবং এটি ওজন নিয়ন্ত্রণের একটি সাধারণ গাইডলাইন।মুড়িতে কত ক্যালরি থাকে
১ কাপ মুড়িতে (প্রায় ৩০ গ্রাম) গড়ে ১১০–১২০ ক্যালরি থাকে। মুড়ি হালকা খাবার হলেও একসাথে বেশি খেলে ক্যালরি দ্রুত বেড়ে যায়। তেল বা চানাচুর মেশালে ক্যালরির পরিমাণ আরও বাড়ে।১ বাটি সবজিতে কত ক্যালরি
কম তেলে রান্না করা ১ বাটি সবজিতে সাধারণত ৬০–১০০ ক্যালরি থাকে। সবজি কম ক্যালরি এবং বেশি ফাইবারযুক্ত হওয়ায় ওজন কমানোর ডায়েটে খুব উপকারী। তবে তেল বেশি দিলে ক্যালরিও বেড়ে যায়।১ লিটার দুধে কত ক্যালরি
ফুল ফ্যাট ১ লিটার দুধে প্রায় ৬০০–৬৫০ ক্যালরি থাকে। দুধ প্রোটিন ও ক্যালসিয়ামের ভালো উৎস, তবে ওজন কমাতে চাইলে লো ফ্যাট দুধ বেছে নেওয়া ভালো।১ বাটি ডালে কত ক্যালরি
১ বাটি মাঝারি ডালে গড়ে ১৫০–১৮০ ক্যালরি থাকে। ডাল প্রোটিনসমৃদ্ধ হওয়ায় পেট ভরাতে সাহায্য করে এবং দীর্ঘক্ষণ ক্ষুধা কমায়।১ গ্লাস দুধে কত ক্যালরি
১ গ্লাস দুধে (প্রায় ২০০ মি.লি.) গড়ে ১২০–১৩০ ক্যালরি থাকে। নিয়মিত দুধ খেলে হাড় মজবুত থাকে এবং শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায়।১ টি রুটিতে কত ক্যালরি
১টি মাঝারি আকারের রুটিতে প্রায় ১০০–১২০ ক্যালরি থাকে। রুটি ভাতের তুলনায় ধীরে হজম হয়, তাই অনেক সময় ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।১ টি ডিমে কত ক্যালরি
১টি সেদ্ধ ডিমে প্রায় ৭০–৮০ ক্যালরি থাকে। ডিম উচ্চমানের প্রোটিনের ভালো উৎস এবং শরীর গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।১ কাপ দুধে কত ক্যালরি
১ কাপ দুধে (প্রায় ২৫০ মি.লি.) গড়ে ১৫০–১৬০ ক্যালরি থাকে। এটি এক গ্লাস দুধের তুলনায় সামান্য বেশি, কারণ পরিমাণও বেশি।১ প্লেট ভাতে কত ক্যালরি থাকে
রান্না করা ১ প্লেট ভাতে (প্রায় ২০০ গ্রাম) গড়ে ২৪০–২৬০ ক্যালরি থাকে। ভাত দ্রুত শক্তি দেয়, তবে বেশি খেলে সহজেই অতিরিক্ত ক্যালরি যোগ হয়।১ টি খেজুরে কত ক্যালরি
১টি মাঝারি খেজুরে প্রায় ২০–২৫ ক্যালরি থাকে। খেজুর প্রাকৃতিক চিনি ও শক্তির ভালো উৎস, তবে ডায়েটে থাকলে পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ জরুরি।উপসংহারঃ কোন খাবারে কত ক্যালরি থাকে
আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসে কোন খাবারে কত ক্যালরি থাকে তা জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি আমাদের ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং সুস্থ জীবনযাপনের জন্য সহায়ক। আমরা যদি প্রতিটি খাবারের ক্যালরি সম্পর্কে সচেতন হই, তবে সহজেই আমাদের দৈনিক ক্যালরি চাহিদা অনুযায়ী খাবারের পরিমাণ সামঞ্জস্য করতে পারি। উদাহরণস্বরূপ, তেল ও ভাজা খাবারে ক্যালরি ঘন থাকে, তাই আমরা এগুলো কম খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারি।
অন্যদিকে, সেদ্ধ ডিম, ডাল, দুধ বা সবজি তুলনামূলকভাবে কম ক্যালরি এবং বেশি
পুষ্টিকর, যা আমাদের শরীরের জন্য ভালো। ভাত, রুটি বা খেজুরের মতো শর্করাযুক্ত
খাবার আমাদের শক্তি দেয়, কিন্তু আমরা অতিরিক্ত খেলে ওজন বাড়তে পারে। সুতরাং
আমরা যদি আমাদের খাদ্যাভ্যাসে ক্যালরি হিসাব ঠিকভাবে রাখি এবং সঠিক খাবার বাছাই
করি, তাহলে আমরা ধীরে ধীরে এবং স্বাস্থ্যকরভাবে আমাদের ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে
পারব। তাই আমাদের এবং আপনাদের জন্য খাবারের ক্যালরি সম্পর্কে সচেতন থাকা
অত্যন্ত জরুরি।

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url